বিপিএলের সিলেট পর্বে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের বিপক্ষে ফরচুন বরিশালকে একাই টেনে নিয়েছেন এনামুল হক বিজয়। তার অর্ধশতকের ইনিংসের পর দলকে জয়ের নোঙরে পৌঁছান করিম জানাত। তাতে ৬ জয়ে ১২ পয়েন্ট নিয়ে রানরেটে সিলেটকে পেছনে ফেলে টেবিলের শীর্ষে সাকিবের দল।
শুক্রবার সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সকে ব্যাট করতে পাঠায় ফরচুন বরিশাল। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৬৮ রান করে শুভাগত হোমের দল। ১৬৯ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ৭৮ রানের ইনিংসে জয়ের ভিত গড়ে দেন এনামুল হক বিজয়। পরে করিম জানাতের ১২ বলে ৩১ রানের ক্যামিওতে ৩ উইকেটে জয় পায় বরিশাল।
টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় চট্টগ্রাম। দলীয় ১১ রানে ৩ বলে ৫ রান করে আউট হন ওপেনার মেহেদী মারুফ। এরপর ক্রিজে আসা উন্মুক্ত চাঁদকে সঙ্গে নিয়ে শুরুর ধাক্কা সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন ম্যাক্স ওডাউড।
দলীয় ৩৬ রানে ১৩ বলে ১৬ রান করে আউট হন উন্মুক্ত চাঁদ। ১১তম ওভারের চতুর্থ বলে দলীয় ৭৮ রানে ফিরে যান ম্যাক্স ওডাউড। ৩৪ বলে ৩৩ রান করেন তিনি।
এরপর ব্যাট করতে এসে ক্রিজে টিকতে পারেননি অধিনায়ক শুভাগত হোম। দলীয় ৮৫ রানে ফেরেন সাজঘরে। ৫ বলে ২ রান করেন তিনি। ১৪ তম ওভারের চতুর্থ বলে দলীয় ১০২ রানে কামরুল ইসলাম রাব্বির শিকার হন আফিফ। ২৩ বলে ৩৭ রানের ইনিংস খেলেন তিনি।
এরপর ৬৬ রানের জুটি গড়েন কার্টিস ক্যাম্পার ও ইরফান শুকুর। ইনিংসের শেষ বলে আউট হন ইরফান শুকুর। ১৯ বলে ২০ রান করেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ৬ উইকেট হারিয়ে ১৬৮ রান সংগ্রহ করে চট্টগ্রাম।
কার্টিস ক্যাম্পার অপরাজিত থাকেন ২৫ বলে ৪৫ রান করে। বরিশালের পক্ষে ২টি করে উইকেট নেন কামরুল রাব্বি ও খালেদ হাসান।
লক্ষ্য পার করতে নেমে শুরুটা ভালোই হয় বরিশালের। প্রথম উইকেট জুটিতে আসে ৪৮ রান। ৫ম ওভারের শেষ বলে মেহেদি হাসান রানার শিকার হন সাইফ হাসান। ৮ম ওভারের তৃতীয় বলে সাজঘরে ফেরেন সাকিব। ৬ বল খেলে নামের পাশে যোগ করেন মাত্র ২ রান।
সাকিবের পরের বলেই আউট হন রিয়াদ। রানের খাতা না খুলেই ফেরেন তিনি। দলীয় ৭৯ রানে নাহিদুজ্জামানের ফাঁদে পা দেন চাতুরাঙ্গা। ৫ বলে তিন রান করে ফেরেন তিনি।
ব্যাটারদের আসা-যাওয়ার মিছিলে দলকে একাই টেনে নেন এনামুল হক বিজয়। ১৫তম ওভারের ২ বলে দলীয় ১১৩ রানে মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরীর শিকার হন তিনি। ৫০ বলে ৭৮ রানের ইনিংস খেলেন বিজয়।
১৬তম ওভারের চতুর্থ বলে দলীয় ১১৭ রানে আউট ইফতিখার আহমেদ। ৬ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়লে দলের হাল ধরেন করিম জানাত। সালমান হোসেনকে নিয়ে ২৩ বলে ৫০ রানের জুটিতে দলকে পৌঁছান জয়ের কাছাকাছি। মাত্র দুই রান পিছিয়ে থাকতে মেহেদি হাসান রানার শিকার হন জানাত। ১২ বলে ৩২ রানের ঝড়ো ইংনিস খেলেন আফগান অলরাউন্ডার।
এরপর মোহাম্মদ ওয়াসিমের বাউন্ডারিতে ৪ বল ও ৩ উইকেট হাতে রেখে জয় নিশ্চিত করে ফরচুন বরিশাল। চট্টগ্রামের সর্বোচ্চ চার উইকেট নেন নাহিদুজ্জামান।







