পয়েন্ট টেবিলের নিচের দিক থেকে দুইয়ে অবস্থান সিলেট স্ট্রাইকার্সের। আসরে ম্যাচ জিতেছে কেবল তিনটি। নিজেদের দশম ম্যাচে এসেও পরাজয়ের বৃত্ত কাটিয়ে উঠতে পারেনি সুরমাপাড়ের দলটি। মুশফিকুর রহিমের ফিফটি ও কাইল মায়ার্সের অলরাউন্ড নৈপুন্যে ফরচুন বরিশালের কাছে হেরেছে ১৮ রানে।
চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরি স্টেডিয়ামে দিনের প্রথম ম্যাচে টসে জিতে আগে ব্যাটের সিদ্ধান্ত নেন বরিশাল অধিনায়ক তামিম ইকবাল। নির্ধারিত ওভার শেষে ৮ উইকেটে ১৮৩ রানের সংগ্রহ গড়ে তারা। জবাবে ৮ উইকেটে ১৬৫ রানে থামে সিলেটের ইনিংস।
এ নিয়ে ১০ ম্যাচে ৬ জয়ে ১২ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের তিনে নিজেদের অবস্থান শক্ত করেছে বরিশাল। সমান ম্যাচে ৩ জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে ছয়ে সিলেট। তাদের নিচে কেবল দুর্দান্ত ঢাকা। ১১ ম্যাচে মাত্র একটি জয় পেয়েছে তারা।
সবার আগে প্লে-অফ নিশ্চত করেছে রংপুর রাইডার্স। ১০ ম্যাচে ৮ জয়ে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে রয়েছে টেবিলের শীর্ষে। একম্যাচ কম খেলে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। ১০ পয়েন্ট নিয়ে চারে খুলনা। আর ১০ ম্যাচে ৫ জয়ে ১০ পয়েন্ট নিয়ে রান রেটে পিছিয়ে পাঁচে অবস্থান চট্টগ্রামের।
বরিশালের হয়ে ব্যাট হাতে আলো ছড়িয়েছেন মুশফিকুর রহিম ও কাইল মায়ার্স। তিনটি করে চার ও ছক্কায় ৩২ বলে ৫২ রান করেন মুশফিক। ৩১ বলে ৪৮ রান করেন মায়ার্স। তার ইনিংসেও ছিল তিনটি করে চার ও ছক্কার মার।
এছাড়া তামিম ইকবাল ১৯, আহমেদ শেহজাদ ১৭, মেহেদী হাসান মিরাজ ১৫ ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ১২ রান করেন।
সিলেটের হয়ে তানজিম হাসান সাকিব নেন তিন উইকেট। হ্যারি টেক্টর ও শফিকুল ইসলাম নেন একটি করে।
রানতাড়ায় নেমে শূন্য রানেই দুই টপঅর্ডারকে হারায় সিলেট। ইনিংসের প্রথম ওভারে ফিরে যান হ্যারি টেক্টর ও নাজমুল হোসেন শান্ত। ৪০ রানের মধ্যে আরও চার ব্যাটারকে হারায় তারা। ব্যর্থ হয়ে ফিরে যান জাকির হাসান, মোহাম্মদ মিঠুন, অ্যাঞ্জেলো পেরেরা ও রায়ান বার্ল।
সপ্তম উইকেটে আরিফুল হককে নিয়ে ১০৮ রানের জুটি গড়েন বেনি হাওয়েল। ৩১ বলে ৫৭ রান করে আরিফুল ফিরে যান। তার ইনিংসে ছিল পাঁচটি চার ও চারটি ছক্কার মার। ইনিংসের শেষ ওভারে হাওয়েলকে ফেরান সাইফউদ্দীন। পাঁচটি চার ও দুই ছক্কায় ৩২ বলে ৫৩ রান করেন ইংলিশ অলরাউন্ডার।
বরিশালের হয়ে মায়ার্স নেন তিন উইকেট। সাইফউদ্দীন, ম্যককয়, কেশব মহারাজ ও মেহেদী হাসান মিরাজ নেন একটি করে উইকেট।







