আন্তর্জাতিক

৩৯ দেশের অভিবাসীদের নিয়ে ট্রাম্পের পদক্ষেপ আটকে দিল আদালত

ইউএস হোমল্যান্ড সিকিউরিটির ইউএস সিটিজেনশিপ ও ইমিগ্রেশন সার্ভিসেস অফিসের ছবি. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

ইউএস হোমল্যান্ড সিকিউরিটির ইউএস সিটিজেনশিপ ও ইমিগ্রেশন সার্ভিসেস অফিসের প্রবেশদ্বার, যেখানে দর্শনার্থীরা প্রবেশ করছে।. Channel i News – চ্যানেল আই নিউজ

যুক্তরাষ্ট্রে ৩৯টি দেশের নাগরিকদের রাজনৈতিক আশ্রয়, গ্রিন কার্ড, ওয়ার্ক পারমিট এবং নাগরিকত্বসংক্রান্ত আবেদন প্রক্রিয়া স্থগিত রাখার নীতি অবৈধ ঘোষণা করেছেন ফেডারেল আদালত।

বিবিসি জানিয়েছে, শুক্রবার (৫ জুন) দেওয়া এক রায়ে আদালত বলেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন আইনগত ক্ষমতার বাইরে গিয়ে এসব নীতি কার্যকর করেছিল। রোড আইল্যান্ডের প্রভিডেন্সে প্রধান মার্কিন জেলা বিচারক জন ম্যাককনেল রায়ে উল্লেখ করেন, আফ্রিকা, এশিয়া, ল্যাটিন আমেরিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের ৩৯টি দেশের নাগরিকদের লক্ষ্য করে মার্কিন নাগরিকত্ব ও অভিবাসন সেবা কর্তৃপক্ষ (ইউএসসিআইএস) একগুচ্ছ নীতি গ্রহণ করেছিল, যার ফলে হাজারও অভিবাসীর আবেদন দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে ছিল।

বিচারক ম্যাককনেল বলেন, আবেদনকারীরা প্রচলিত আইনি প্রক্রিয়া যথাযথভাবে অনুসরণ করলেও শুধুমাত্র তাদের জন্মভূমির কারণে আবেদন নিষ্পত্তি করা হয়নি। এতে তারা কর্মসংস্থান, বৈধ বসবাসের মর্যাদা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েন। ইউএসসিআইএসের পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন আইন এবং প্রশাসনিক আইন উভয়ের সঙ্গেই সাংঘর্ষিক। সংস্থাটি কংগ্রেসের প্রণীত আইন ও নিজস্ব প্রশাসনিক বিধিমালা অনুসরণে ব্যর্থ হয়েছে।

মামলার নথি অনুযায়ী, গত মার্চে কয়েকটি অভিবাসী অধিকার সংগঠন এবং শ্রমিক ইউনিয়নের একটি জোট ট্রাম্প প্রশাসনের এই নীতির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। তাদের অভিযোগ ছিল, ৩৯টি দেশের নাগরিকদের আবেদন অযৌক্তিকভাবে আটকে রেখে প্রশাসন হাজারো মানুষের জীবন ও জীবিকাকে অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিয়েছে।

বিষয়:ইউএসসিআইএস ডোনাল্ড ট্রাম্প

আরও পড়ুন

পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…