অপরাধ

দুবাইয়ে সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ গ্রেপ্তার

বাংলাদেশের সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ দ্যুবাইয়ে গ্রেপ্তার. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

দ্যুবাইয়ে গ্রেপ্তার হওয়া বাংলাদেশের সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ, ছবি।. Channel i News – চ্যানেল আই নিউজ

অডিও সংবাদএই খবরটি পডকাস্টে শুনুন

বাংলাদেশ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা একটি মামলার প্রেক্ষিতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) দুবাইয়ে গ্রেপ্তার হয়েছেন পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ।

পুলিশ সদর দপ্তরের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা চ্যানেল আই অনলাইনকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ইন্টারপোলের সহায়তায় দুবাই পুলিশ বেনজীর আহমেদকে গ্রেপ্তার করেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা বলেন, গত ১২ জুন প্রাপ্ত একটি চিঠির মাধ্যমে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে অবহিত হয়েছে।

বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে দুদক একাধিক মামলা দায়ের করেছে। এসব অভিযোগের তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে তার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

তবে এ বিষয়ে দুদক, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিংবা ইউএই কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

গ্রেপ্তারের ঘটনায় পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া এবং তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের দিকে নজর রয়েছে।

দুর্নীতি দমন কমিশন সূত্র জানায়, দুদকের উপপরিচালক হাফিজুল ইসলাম ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর এই মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে একই বছরের ৩০ নভেম্বর তিনি বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন, সম্পদের তথ্য গোপন এবং মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে চার্জশিট দাখিল করেন।

চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়, বেনজীর আহমেদ ঘোষিত সম্পদের তুলনায় অধিক সম্পদের প্রমাণ পাওয়া গেছে। তদন্তে তার নামে প্রায় ১৫ কোটি ৬৮ লাখ টাকার সম্পদের তথ্য মিলেছে, যার বিপরীতে বৈধ আয়ের উৎস হিসেবে পাওয়া গেছে প্রায় ৬ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। ব্যয় বাদে তার নিট সঞ্চয় দাঁড়ায় প্রায় ৪ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। এতে করে প্রায় ১১ কোটি ৪ লাখ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের প্রমাণ পাওয়া যায়।

এ ছাড়া অভিযোগে বলা হয়েছে, এসব অর্থের উৎস গোপন রেখে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও যৌথ মূলধনী প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ, স্থানান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে অর্থ পাচারের চেষ্টা করা হয়েছে।

দুর্নীতি দমন কমিশন সূত্র জানায়, দুদকের উপপরিচালক হাফিজুল ইসলাম ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর এই মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে একই বছরের ৩০ নভেম্বর তিনি বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন, সম্পদের তথ্য গোপন এবং মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে চার্জশিট দাখিল করেন।

চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়, বেনজীর আহমেদ ঘোষিত সম্পদের তুলনায় অধিক সম্পদের প্রমাণ পাওয়া গেছে। তদন্তে তার নামে প্রায় ১৫ কোটি ৬৮ লাখ টাকার সম্পদের তথ্য মিলেছে, যার বিপরীতে বৈধ আয়ের উৎস হিসেবে পাওয়া গেছে প্রায় ৬ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। ব্যয় বাদে তার নিট সঞ্চয় দাঁড়ায় প্রায় ৪ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। এতে করে প্রায় ১১ কোটি ৪ লাখ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের প্রমাণ পাওয়া যায়।

এ ছাড়া অভিযোগে বলা হয়েছে, এসব অর্থের উৎস গোপন রেখে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও যৌথ মূলধনী প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ, স্থানান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে অর্থ পাচারের চেষ্টা করা হয়েছে।

দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সর্বোচ্চ পদে দায়িত্ব পালন করা বেনজীর আহমেদ একসময় পুলিশ প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তিনি পুলিশের মহাপরিদর্শক হিসেবে দায়িত্ব পালনের আগে ঢাকা মহানগর পুলিশের কমিশনার এবং র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের মহাপরিচালকের দায়িত্বও পালন করেন।

বিষয়:গ্রেপ্তার দুবাই বেনজীর আহমেদ সাবেক আইজিপি

আরও পড়ুন

পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…