সৌদি আরব আনুষ্ঠানিকভাবে ২০৩৪ সালে ফুটবল বিশ্বকাপ আয়োজনের বিষয়টি জানিয়েছে। বুধবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে সৌদি অ্যারাবিয়ান ফুটবল ফেডারেশন (এসএএসএফ)।
মধ্যপ্রাচ্যের দেশটির সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবস্থার পরিবর্তন এবং ফুটবলের প্রতি গভীর আবেগকে কাজে লাগাতে বৈশ্বিক ইভেন্টটি আয়োজনে আগ্রহী। সৌদির ক্রাউন প্রিন্স এবং প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান বিশ্বকাপের আয়োজক হওয়ার প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামার সিদ্ধান্ত নেন।
২০১৮ সাল থেকে সৌদি আরব ৫০টিরও বেশি আন্তর্জাতিক ইভেন্ট আয়োজনের জন্য আলোচিত হয়েছে। ফুটবল, মোটরস্পোর্টস, টেনিস, ঘোড় দৌড়, এস্পোর্টস এবং গলফের মতো খেলায় পুরুষদের পাশাপাশি নারী ক্রীড়াবিদদের দেশটি আগ্রহের কেন্দ্র হয়ে উঠেছে।
সৌদিতে ৩৫ বছরের কম বয়সের মানুষ জনসংখ্যার ৭০ শতাংশেরও বেশি। খেলাধুলার প্রতি তারুণ্যের শক্তিকে কাজে লাগাতে বিশ্বকাপ আয়োজন করতে তেল সমৃদ্ধ দেশটি উঠেপড়ে লেগেছে। খ্যাতিমান ফুটবলারদের ঘরোয়া ফুটবলের আসর সৌদি প্রো লিগের জৌলুস বহুগুণে বাড়িয়েছে।
ছয়বার ফুটবল বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে সৌদি আরব। গত বছর কাতারে গ্রিন ফ্যালকনরা গ্রুপপর্বের ম্যাচে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় পায়। পরে সেই আর্জেন্টিনাই হয় চ্যাম্পিয়ন।
সৌদি আরবের অলিম্পিক ও প্যারালিম্পিক কমিটির ক্রীড়া মন্ত্রী এবং সভাপতি প্রিন্স আব্দুল আজিজ বিন তুর্কি আল ফয়সাল বলেন, ‘২০৩৪ সালে ফিফা বিশ্বকাপের আয়োজন করাটা আমাদের বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনে শীর্ষস্থানীয় দেশ হওয়ার স্বপ্ন পূরণ করতে সাহায্য করবে। দেশের ইতিহাসে একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হবে।’
এসএএসএফ সভাপতি ইয়াসির আল মিসেহাল বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি ফিফা বিশ্বকাপ আয়োজনের জন্য সৌদি আরবের এটা উপযুক্ত সময়।’









