দিনাজপুরে তাজমহলের আদলে শিল্পীর নিপূণ শৈলীতে নির্মাণাধীন আফতাবগঞ্জ জামে মসজিদে স্বর্ণের কারুকার্য হচ্ছে। এজন্যে ইতোমধ্যে এ মসজিদ নির্মাণের কাজে সম্পৃক্ত প্রকৌশলী, কারিগর, শিল্পী ও শ্রমিকদের আগ্রার তাজমহল পরিদর্শন করিয়ে আনা হয়েছে।
এমনি তথ্য দিলেন মসজিদের নির্মাতা দিনাজপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ দেলওয়ার হোসেন।
তিনি জানান,আগ্রার তাজমহলের আদলে শিল্পীর নিপূণ শৈলীতে নির্মাণাধীন দিনাজপুর আফতাবগঞ্জের দৃষ্টি নন্দন, নান্দনিক কারুকার্য আর নয়নাভিরাম এই মসজিদটি নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৪০ কোটিরও বেশি টাকা। তিন তলা বিশিষ্ট এ মসজিদের এক সঙ্গে ৫ হাজার মুসল্লির নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা রয়েছে।
সরজমিনে দেখা যায়, এ যেনো তাজমহল বা রাজপ্রসাদ। অপরূপ সৌন্দর্য আর শৈল্পিক কারুকার্যে চোখ ধাধানো ডিজাইনের মিশ্রণে গড়ে তোলা এ মসজিদটি ছড়িয়েছে আলোর দিশারী। মসজিদ নির্মাণে অনেকটা অনুসরণ করা হয়েছে আগ্রার তাজমহলকে। দিনাজপুর শহর থেকে ৬৩ কিলোমিটার দূরে নবাবগঞ্জ উপজেলার আফতাবগঞ্জ বাজারে নির্মিত মসজিদটির নান্দনিক সৌন্দর্য্য দেখতে দর্শনার্থীরা বিভিন্ন স্থান থেকে ছুটে আসছেন।
জানা যায়, এক বিঘা জমির উপর নির্মিত ১০ হাজার স্কয়ার ফুটের এ মসজিদে ১৬টি পিলারের উপরে রয়েছে ৩২টি ছোট মিনার। এছাড়াও চার কোণায় চারটি মূল গম্বুজ আছে। প্রতিটির উচ্চতা ৯৭ ফুট। ভারত, চীন ও ইতালির মার্বেল পাথর-গ্রানাইট ও মূল্যবান কাঠ ব্যবহার করা হয়েছে মসজিদে। সাদা মার্বেল পাথরের উপরে ফুলদানী, ফুলের ঝার, গোলাপ ফুল, চাঁদ-তাঁরা, নক্ষত্র ও আরবি ক্যালিগ্রাফিলিপি স্থান পেয়েছে মসজিদটির নকশায়। নির্মাণে প্রতিদিন কাজ করছেন রাজমিস্ত্রী, ডিজাইনার, টেকনিশিয়ানসহ ৪০ জন।
এবিষয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য শিবলী সাদিক জানালেন, এই মসজিদ তৈরি করছেন তাদের আফতাব পরিবার। দিনাজপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ দেলওয়ার হোসেন তার বড় চাচা। তার বাবা মরহুম মোস্তাফিজুর রহমানও এক সময় এই এলাকার সংসদ সদস্য ছিলেন। তিনি বলেন, স্থানীয় হাটের টোল মসজিদটির নির্মাণ কাজে ব্যয় হচ্ছে।
আগামী দু’বছরের মধ্যেই মসজিদের কাজ সম্পন্ন হবে বলে আশা ব্যক্ত করেন তিনি।








