চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • ফিফা ২০২৬
  • চ্যানেল আই টিভি
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

ফুটবলের আড়ালে ক্ষমতার লড়াইয়ে আমেরিকা-চীন ও উপসাগরীয় শক্তি

ধারাবাহিক লেখার পর্ব ৪

আব্দুল্লাহ আল সাফিআব্দুল্লাহ আল সাফি
৪:৪৮ অপরাহ্ণ ১০, জুন ২০২৬
- সেমি লিড, স্পোর্টস
A A

এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ

ফুটবলের একটা পুরোনো কথা আছে, মাঠে যা হয়, সেটা মাঠেই শেষ। কিন্তু ২০২৬ বিশ্বকাপে সেই কথাটা আর পুরোপুরি খাটছে না।

মাঠে যখন আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল কিংবা অন্য দলগুলো তাদের প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হবে, তখন পর্দার আড়ালেও চলবে আরেকটি খেলা। এডিডাস (Adidas) বনাম নাইকি (Nike), লেনোভো (Lenovo) বনাম গুগল (Google), আরামকো (Aramco) বনাম পরিবেশবাদীরা। কোথাও আমেরিকা বনাম চীন, কোথাও তেলের ডলার বনাম প্রযুক্তির আধিপত্য।

৩ দেশের আয়োজনে ২০২৬ সালের বিশ্বকাপটির বেশিরভাগ হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে। আর যুক্তরাষ্ট্রে যখন এমন কোনো বৈশ্বিক আয়োজন হয়, তখন সেটি কেবল খেলার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না।

স্পন্সর তালিকাটি মনে আছে?

বিশ্বকাপের স্পন্সরদের তালিকা আমরা কমবেশি সবাই জানি। এবার সেই তালিকাটাই একটু ভিন্নভাবে পড়া যাক।

টিয়ার-১ পার্টনারদের মধ্যে রয়েছে জার্মানির এডিডাস, যুক্তরাষ্ট্রের কোকা-কোলা, ভিসা, কাতারের কাতার এয়ারওয়েজ, দক্ষিণ কোরিয়ার হুন্দাই-কিয়া, চীনের লেনোভো এবং সৌদি আরবের আরামকো।

Reneta

টিয়ার-২ স্পন্সরদের তালিকায় আছে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাংক অব আমেরিকা, ম্যাকডোনাল্ডস, ফ্রিটো-লে ও ভেরাইজন; চীনের হিসেন্স ও মেংনিউ; বেলজিয়ামের এবি ইনবেভ এবং ব্রিটিশ-ডাচ প্রতিষ্ঠান ইউনিলিভার।

আমেরিকান ব্র্যান্ডগুলো বিশ্বকাপের মোট স্পন্সরশিপ আয়ের প্রায় ৫২ শতাংশ দিচ্ছে। আর দ্বিতীয় শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে চীনা কোম্পানিগুলো।

এটা কেবল ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের তালিকা নয়। বরং ২০২৬ সালের বৈশ্বিক ক্ষমতার মানচিত্রের একটি প্রতিচ্ছবি, যা ফুটবল মাঠের চারপাশে আঁকা হয়েছে।

চীনের নীরব আধিপত্য

চীন এই বিশ্বকাপে খেলছে না। কিন্তু চীনের কোম্পানিগুলো আছে প্রায় সর্বত্র। লেনোভো প্রযুক্তিগত অবকাঠামোর অংশ, হিসেন্সের উপস্থিতি স্টেডিয়ামের স্ক্রিনে, মেংনিউর বিজ্ঞাপন দর্শকদের সামনে। আগের বিশ্বকাপগুলোতে ভিভোর মতো চীনা ব্র্যান্ডও বড় ভূমিকা পালন করেছে।

ফিফার চীনা ও মধ্যপ্রাচ্যের অংশীদাররা যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক চাপের মধ্যেও দৃশ্যমান অবস্থান ধরে রেখেছে। কারণ এই বিশ্বকাপ হচ্ছে এমন এক সময়ে, যখন যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে বাণিজ্যিক ও কৌশলগত প্রতিদ্বন্দ্বিতা তুঙ্গে। ফলে বিশ্বকাপে চীনা ব্র্যান্ডগুলোর উপস্থিতি স্বাভাবিকভাবেই নানা প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে।

তবে ফিফার হিসাব অনেক সহজ। চীনের করপোরেট জগৎ অর্থ বিনিয়োগ করছে, আর অর্থের কোনো রাজনৈতিক পাসপোর্ট নেই।

এটাই নতুন ধরনের ক্ষমতার লড়াই। কূটনীতিকদের বৈঠকে নয়, বরং স্পন্সরশিপ চুক্তির পাতায় পাতায়।

আরামকো: সৌদি আরবের দীর্ঘ খেলা

আরামকোর সঙ্গে ফিফার বর্তমান চুক্তির মেয়াদ ২০২৭ সাল পর্যন্ত। এর আওতায় রয়েছে ২০২৬ পুরুষ বিশ্বকাপ এবং ২০২৭ নারী বিশ্বকাপ। তবে এই চুক্তির বাইরেও রয়েছে আরও বড় একটি গল্প।

২০৩০ বিশ্বকাপ আয়োজন করবে স্পেন, পর্তুগাল ও মরক্কো। পাশাপাশি শতবর্ষ উদযাপনের অংশ হিসেবে উদ্বোধনী তিনটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে উরুগুয়ে, আর্জেন্টিনা ও প্যারাগুয়েতে। আর ২০৩৪ বিশ্বকাপের আয়োজক সৌদি আরব।

অস্ট্রেলিয়া প্রতিযোগিতা থেকে সরে যাওয়ার পর সৌদি আরব কার্যত একমাত্র বিডার হিসেবে রয়ে যায়। ফলে তাদের আয়োজক হওয়ার পথ অনেকটাই সহজ হয়ে যায়।

মেসি, নেইমার ও রোনালদোর মতো তারকাদের ঘিরে সৌদি ফুটবলের যে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ কৌশল ছিল, ২০৩৪ বিশ্বকাপের আয়োজন পাওয়ার পর সেটিকে অনেক বিশ্লেষক নতুনভাবে মূল্যায়ন করছেন।

সবকিছু মিলিয়ে একটি বিষয় স্পষ্ট হয়ে উঠছে। আরামকোর স্পন্সরশিপ, ২০৩৪ বিশ্বকাপের আয়োজন এবং বিশ্বের তারকা ফুটবলারদের সৌদি লিগে নিয়ে যাওয়ার প্রচেষ্টা একই বৃহত্তর কৌশলের অংশ বলে মনে করেন অনেক বিশ্লেষক।

সমালোচকদের অভিযোগ, মানবাধিকার পরিস্থিতি, সাংবাদিক জামাল খাশোগি হত্যা, নারী অধিকারের সীমাবদ্ধতা এবং ইয়েমেন যুদ্ধের মতো বিতর্কিত বিষয়গুলো থেকে বৈশ্বিক মনোযোগ সরাতে সৌদি আরব খেলাধুলাকে ব্যবহার করছে।

ফিফা অবশ্য বরাবরই বলে আসছে, খেলা রাজনীতির বাইরে।

কিন্তু ২০৩৪ বিশ্বকাপের আয়োজক যখন আরামকোর দেশ, তখন সেই দাবি কতটা বিশ্বাসযোগ্য, সেই প্রশ্নও ক্রমশ জোরালো হচ্ছে।

২০২৬ থেকে ২০৩৪ পর্যন্ত বিশ্বকাপের আয়োজক দেশ ও ভূরাজনৈতিক সংযোগ। তিনটি পরপর বিশ্বকাপের আয়োজক দেশের তালিকা একসাথে দেখলে একটা প্যাটার্ন স্পষ্ট হয়।

জিয়ান্নি ইনফান্তিনো: একজন মানুষ, অনেক প্রশ্ন

এই পুরো গল্পের কেন্দ্রে একটি নাম বারবার ফিরে আসে। তিনি হচ্ছেন জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। ফিফার বর্তমান সভাপতি।

বিশ্লেষকদের মতে, ২০১৮ বিশ্বকাপের আগ থেকেই তিনি সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন। আরামকো চুক্তি থেকে শুরু করে ২০৩৪ বিশ্বকাপের আয়োজন, বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে তার সক্রিয় ভূমিকার কথাও বারবার আলোচনায় এসেছে।

কাতার ও সৌদি আরবের সঙ্গে ফিফার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলার পেছনে তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে বলে মনে করেন অনেক বিশ্লেষক।

বৈশ্বিক ক্রীড়া রাজনীতি নিয়ে গবেষক অধ্যাপক জুলস বয়কফ ২০২৬ বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে একটি বই লিখেছেন। বইটির নাম ‘রেড কার্ড: দ্য ২০২৬ ওয়ার্ল্ড কাপ, স্পোর্টসওয়াশিং অ্যান্ড দ্য ফিফা গ্রিড মেশিন’।

বইয়ের নামটিই বিতর্কের মূল বিষয়গুলোকে অনেকটা স্পষ্ট করে দেয়।ফিফা প্রেসিডেন্ট

পরিবেশ: সবচেয়ে বড় দ্বন্দ্ব?

ফিফা এই বিশ্বকাপে পরিবেশ সচেতনতার প্রতীক হিসেবে ‘গ্রিন কার্ড’ উদ্যোগের কথা বলছে। একই সময়ে তাদের অন্যতম প্রধান অংশীদার বিশ্বের বৃহত্তম তেল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান আরামকো। দুটি অবস্থান পাশাপাশি রাখলে একটি স্পষ্ট বৈপরীত্য চোখে পড়ে।

গত বছর বিশ্বের শতাধিক নারী ফুটবলার প্রকাশ্যে আরামকো চুক্তির বিরোধিতা করেছিলেন। তাদের যুক্তি ছিল, এই অংশীদারিত্ব ফুটবলের টেকসই উন্নয়নের দাবিকেই প্রশ্নবিদ্ধ করে।

এ বিষয়ে ফিফার জবাব কী ছিল? জবাব হচ্ছে ‘প্রায় নীরবতা’।

ট্রাম্প ফ্যাক্টর

২০২৬ বিশ্বকাপের আরেকটি বিশেষ দিক রয়েছে। আয়োজক দেশের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। অভিবাসন নীতিতে তার কঠোর অবস্থান নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিতর্ক রয়েছে। অনেক দেশের নাগরিকের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের প্রক্রিয়াও তুলনামূলকভাবে জটিল।

ইতিমধ্যে ইরান দলের কর্মী ও সোমালিয়ার রেফারির যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে বাধা নিয়ে যথেষ্ট ‘নাটক’ হয়েছে এবং অংশগ্রহণকারী আফ্রিকার দেশগুলোর ভিসা বিষয়ে নানা দৌড়ঝাপের খবর এসেছে বিশ্ব গণমাধ্যমে।

তবে বিশ্লেষকদের মতে, এই বিশ্বকাপ এত বড় যে এটিকে ব্যর্থ হতে দেওয়ার সুযোগ নেই। ৪৮টি দল, কোটি কোটি দর্শক, বিপুল সম্প্রচার আয় এবং বিশাল বাণিজ্যিক স্বার্থ মিলিয়ে এটি এখন ‘টু বিগ টু ফেইল’ প্রকল্পে পরিণত হয়েছে।

অর্থাৎ রাজনৈতিক আপত্তি যতই থাকুক, শেষ পর্যন্ত সবাই আসবে। বরং এই উত্তেজনা বিশ্বকাপকে আরও বেশি করে আলোচনায় রাখছে।

ফুটবলের ভবিষ্যৎ কোথায়?

বিশ্বকাপের ‘বিশাল বাণিজ্য’ বিষয়ে আমরা জানি কীভাবে অর্থ, প্রযুক্তি, জার্সি ব্যবসা এবং ভূরাজনীতি একসঙ্গে মিলে বিশ্বকাপকে একটি বহুস্তরীয় ব্যবস্থায় পরিবর্তন করেছে।

এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো, এই পথ কোথায় গিয়ে থামবে?

২০৩০ সালে বিশ্বকাপ ছড়িয়ে পড়বে ছয়টি দেশ ও তিনটি মহাদেশে। ২০৩৪ সালে পুরো আয়োজনের দায়িত্ব থাকবে সৌদি আরবের হাতে। প্রতিটি আসরের সঙ্গে বাড়ছে ভৌগোলিক বিস্তার, করপোরেট প্রভাব এবং প্রযুক্তির ব্যবহার।

তাহলে এই সম্প্রসারণের শেষ সীমা কোথায়?

শেষ কথা: দর্শক-ভক্তদের মনোযোগ আসলে কোথায়?

ফুটবলের এই মহা আয়োজন কীভাবে একটি বিলিয়ন ডলারের মেগা ইভেন্টে পরিণত হয়েছে, তা আমরা দেখেছি।  শেষ হোক একটি প্রশ্ন দিয়ে।

দর্শক যখন ১৯ জুলাই রাতে বসে ফাইনাল দেখবে, তখন কোটি দর্শকের মনে কী থাকবে? মাঠের লড়াই, নাকি এই বিশ্বকাপকে ঘিরে আলোচিত নানা প্রশ্নও? আর এই প্রশ্নের সোজা উত্তর হচ্ছে, মাঠের লড়াইয়ের বাইরে কোনো কিছু ভাবার সময় নেই দর্শকের।

নানা প্রশ্ন আর সমালোচনার মধ্যেও  ফুটবল টিকে আছে, কারণ এটি মানুষের মধ্যে সত্যিকারের আবেগ তৈরি করে। কোটি কোটি ডলারের স্পন্সরশিপ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, থ্রিডি অ্যাভাটার, ভূরাজনীতির হিসাব কিংবা প্রযুক্তির প্রতিযোগিতা, সবকিছুর পরেও মাঠে যখন ম্যাচে প্রিয় খেলোয়াড়ের দারুণ নৈপূণ্যে বল জালে জড়ায়, তখন যে অনুভূতি তৈরি হয়, তা কিনে নেওয়া প্রায় অসম্ভব।

সেই অনুভূতিই ফুটবলের আসল শক্তি। ফুটবলকে ঘিরে ব্যবসা আর প্রযুক্তির যে আয়োজন, তা আসলে পর্দার পেছনের গল্প মাত্র। দর্শক-ভক্তদের কাছে সবার আগে ফুটবল।

(এই প্রতিবদেন তৈরিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ‘পারপ্লেক্সিটি’, ‘নোটবুক এলএম’ ও ‘ডেল-ই’ ব্যবহার করা হয়েছে)

অন্য পর্বগুলো পড়ুন:

পর্ব ১: ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬: মাঠে খেলা শুরুর আগেই বিলিয়ন ডলারের ব্যবসা

পর্ব ২: বিশ্বকাপের বিলিয়ন ডলারের জার্সি বাণিজ্যে কেন নেই বাংলাদেশ?

পর্ব ৩: বল থেকে রেফারি: ২০২৬ বিশ্বকাপে প্রযুক্তি যেভাবে বদলে দিচ্ছে সবকিছু

Channel-i-Tv-Live-Motiom

ট্যাগ: ফিফা বিশ্বকাপ-২০২৬ফিফা বিশ্বকাপে বিলিয়ন ডলারের ব্যবসাবিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা-মেক্সিকো
শেয়ারTweetPin

সর্বশেষ

নতুন বাজেটে থাকছে যেসব সুখবর

জুন ১১, ২০২৬

বিশ্বকাপ ফুটবলের স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী

জুন ১১, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

কানাডায় ১৬ বছরের নিচে শিশুদের সোশ্যাল মিডিয়া নিষেধাজ্ঞার বিল পেশ

জুন ১১, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

বাগেরহাটে হত্যাকাণ্ডের শিকার কৃষক দল নেতা, জামায়াত কার্যালয় ভাঙচুর

জুন ১১, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

‘শিবিরের বট এবং একটিভিস্টরা বারবার আমার ফাঁসির দাবি তুলছেন’

জুন ১১, ২০২৬
iscreenads

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: জাহিদ নেওয়াজ খান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
Bkash Stickey June 2025 Desktop

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • প্রচ্ছদ
  • ফিফা ২০২৬
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT