ঘরের মাঠে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেরা ষোলোতে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিল মেক্সিকো। দুর্দান্তভাবে দুদলই বিশ্বকাপ শুরু করেছিল, শেষপর্যন্ত জুড বেলিংহ্যাম এবং হ্যারি কেনদের পরফরম্যান্সে টিকে থাকল ইংলিশরা। লাল কার্ডে প্রথমার্ধের পরপরই ১০ জনে পরিণত হয়েছিল ইংল্যান্ড। বিপরীতে মেক্সিকো খেলায় তৈরি করেছে ভীষণ চাপ, সেখানে মাটি কামড়ে লড়ে জয় নিয়ে ফিরল ১৯৬৬ সালের চ্যাম্পিয়নরা।
কোয়ার্টার ফাইলানে ইউরোপের দেশটি মুখোমুখি হবে আর্লিং হালান্ডের নরওয়ের বিপক্ষে। মেক্সিকো সিটির ঐতিহাসিক এস্তাদিও আজতেকা স্টেডিয়ামে স্বাগতিকদের ৩-২ গোলে হারিয়েচে থ্রি লায়ন্সরা। ইংল্যান্ডের হয়ে জোড়া গোল করেশেন জুড বেলিংহ্যাম এবং একটি গোল করেন হ্যারি কেন। মেক্সিকোর গোল দুটি করেন হুলিয়ান কুইনোনেস এবং রাউল হিমেনেজ।
প্রথম ৩০ মিনিট একের পর এক আক্রমণ চালায় দুদলই, জালের দেখা পায়নি কেউ। ম্যাচের ৩৬ মিনিটে প্রথম জালে বল জড়ান বেলিংহ্যাম, লিড পায় ইংল্যান্ড। দুই মিনিট হওয়ার আগেই ব্যবধান দিগুণ করেন তিনি। এরপর বেশিক্ষণ সময় নেয়নি মেক্সিকোও। ডি বক্সের বাইরে থেকে হুলিয়ান কুইনোনেসের শট জাল খুঁজে পেলে ২-১ গোল ব্যবধানে বিরতি আসে।
বিরতি থেকে ফিরেই মেক্সিকোর জেসাস গায়ার্দোকে ফাউল করেন জ্যারেল কোয়ানস। সেসময় ম্যাচ চলতে থাকে, পরে ৫৪তম মিনিটে এসে ভিএআর দেখেন রেফারি এবং কোয়ানসকে লাল কার্ড দেখান। ১০ জনে পরিণত হয় ইংল্যান্ড। ম্যাচের ৬০তম মিনিটে পেনাল্টি পায় ইংল্যান্ড, সেখানে থেকে হ্যারি কেন ব্যবধান বাড়ান। ৩-১ গোলে এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড।
পরে সেই কেনের ফাউলে পেনাল্টি পায় মেক্সিকোও, ৬৯তম মিনিটে তা থেকে গোল করেন রাউল হিমেনেজ। শেষদিকে ম্যাচে ফেরার জন্য থ্রি লায়ন্সদের উপর একের পর এক চাপ প্রয়োগ করে স্বাগতিকরা। তবে আর জালের দেখা পায়নি মেক্সিকো। ৩-২ গোলের জয়ে মাঠ ছাড়ে থমাস টুখেলের শিষ্যরা।
বাংলাদেশ সময় ১১ জুলাই দিবাগত রাত ৩টায় নরওয়ের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে নামবে ইংল্যান্ড।










