বিশ্বকাপের ৯ দিন পর এসে আন্তর্জাতিক ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন বোর্ড (আইএফএবি) রেফারিদের বিষয়ে নির্দেশনা স্পষ্ট করেছে। সংস্থাটি নিশ্চিত করেছে, কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে সুইজারল্যান্ড ফরোয়ার্ড ব্রিল এম্বোলোকে মাঠ থেকে বের করে দেয়া উচিত হয়নি, ভিএআরের প্রক্রিয়াটি ভুল ছিল। লাল কার্ডটির কারণ ছিল ‘মিসটেকেন আইডেন্টিটি’, যা বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথমবার ঘটেছিল।
আলবিসেলেস্তেদের বিপক্ষে কোয়ার্টারে এম্বোলো ‘মিসটেকেন আইডেন্টিটি’ আইনে পড়ে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখেন, যে কারণে দুই হলুদে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয়। ঘটনা খেলার ৭২তম মিনিটে, সুইজারল্যান্ড তখন ১-১ সমতায় ছিল। অতিরিক্ত সময়ে ৩-১ গোলে জয় পায় আর্জেন্টিনা, যেখানে একটি লাল কার্ডের সিদ্ধান্ত সুইসদের বেশ ভোগায়।
সিদ্ধান্তটি নিয়ে সেসময় অভিযোগ ওঠে। এমনকি আর্জেন্টাইনদের আগের ম্যাচের প্রতিপক্ষ মিশরও অভিযোগ করেছিল রেফারিরা সিদ্ধান্তের মাধ্যমে লিওনেল মেসির দলের প্রতি পক্ষপাতিত্ব করছেন।
ফিফা-সমর্থিত নিয়ম-কানুন বিষয়ক প্যানেল আইএফএবি বিবৃতিতে বলেছে, ‘বিশ্বকাপে ‘মিসটেকেন আইডেন্টিটি’ সংক্রান্ত ঘটনার জন্য ভিএআর প্রোটোকল প্রযোজ্য হবে না। যদিও ভবিষ্যতের প্রতিযোগিতাগুলোতে তা ব্যবহার হতে পারে। তবে, এ বিষয় পর্যালোচনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত এটি ব্যবহার করা যাবে না।’
ঘটনার সূত্রপাত এম্বোলোকে ফাউল করার জন্য আর্জেন্টিনার লিয়েন্দ্রো পারেদেসকে একটি হলুদ কার্ড দেখানোয়। ৭১ মিনিটে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি সেই সিদ্ধান্তটি পর্যালোচনা করেন। পরে মাঠ রেফারি ভিএআরের সাহায্য নিয়ে পারেদেসের ফাউলটি তুলে এম্বোলোকেই ফাউলের অপরাধে কার্ড দেখান। তাতে সুইস ফরোয়ার্ড হলুদ কার্ড দেখেন, তিনি ৪৪ মিনিটে প্রথম হলুদ কার্ডটি দেখেছিলেন। দুটি হলুদ হয়ে যাওয়ায় ফলে তার জন্য কার্ড লালে পরিণত হয়। পারেদেসের সাথে ২৯ বর্ষী সুইস খেলোয়াড়ের কোন সংঘর্ষ না হওয়া সত্ত্বেও তিনি ডাইভ দিয়েছিলেন, এজন্য তাকে ফাউলের অপরাধে কার্ড দেখান রেফারি। মাঠের রেফারি প্রথমে যে ফাউলটি দেখতে পাননি। ভিএআর রেফারি দল তার নজরে এনে সেটি পর্যালোচনার জন্য আহ্বান জানায়।







