আগামী সভাপতি নির্বাচন ঘিরে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত ইনফান্তিনোর, কী জানা গেল

বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে বিশ্বকাপের মালিকানা বিক্রির পরিকল্পনা করে বেশ চাপে আছেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। তার পদে থাকা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। নরওয়ে ফুটবল ফেডারেশন সোজা বলে দিয়েছিল পদত্যাগ করতে। ইউরোপ এবং এশিয়ার ফুটবল ফেডারেশন তার থেকে মুখ সরিয়ে নিয়েছিল। তবে কিছুর তোয়াক্কা না করে, আসন্ন সভাপতি নির্বাচনে আবারও একই পদের জন্য লড়বেন ইনফান্তিনো।
৫৬ বর্ষী ইনফান্তিনোর নির্বাচনে দাঁড়ানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বিশ্বফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা। নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকা সত্ত্বেও ইনফান্তিনো ফের নির্বাচিত হতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। তিনি ২০১৬ সালে সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। ২০২৭ সালের মার্চে ফিফা কংগ্রেসে আসছে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। বিশ্বকাপের মালিকানা বিক্রির পরিকল্পনার আগেও মনে করা হচ্ছিল, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চতুর্থ মেয়াদে নির্বাচিত হবেন ইনফান্তিনো।
কয়েকটি দেশের ফেডারেশন ইনফান্তিনোর প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে সম্প্রতি। পদে বহাল থাকতে হলে সুইস-ইতালিয়ান সংগঠককে ফিফার ২১১টি সদস্য সংস্থার ভোটে সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে হবে। ফিফা নিশ্চিত করেছে, সরাসরি কোন প্রতিদ্বন্দ্বিতার সম্মুখীন হন বা না হন, ইনফান্তিনো আবারও নির্বাচিত হতে লড়বেন।
ফিফার একজন মুখপাত্র বলেছেন, ‘ফিফা সভাপতি এপ্রিলে ঘোষণা করেছিলেন যে ২০২৭ সালে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। অবশ্যই, কোন পরিবর্তন হয়নি। ইনফান্তিনো নির্বাচনে দাঁড়াবেন।’
কনক্যাকাফ সভাপতি ভিক্টর মন্টাগ্লিয়ানিকে ইনফান্তিনোর সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। উয়েফা প্রকাশ্যে ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে সমর্থন জানিয়েছে। তবে উয়েফা সভাপতি আলেক্সান্ডার সেফারিন নিজেকে ইনফান্তিনোর প্রতিদ্বন্দ্বী হওয়ার দৌড় থেকে সরিয়ে নিয়েছেন। ফিফা সভাপতি পদের জন্য প্রার্থীদের মনোনয়ন অবশ্যই ১৮ নভেম্বরের মধ্যে জমা দিতে হবে।






