আক্রমণ পাল্টা আক্রমণে জমে ওঠা ম্যাচের দশম মিনিটে বাংলাদেশকে উৎসবে মেতে ওঠার উপলক্ষ এনে দেন রাকিব হোসেন। বাঁ প্রান্ত থেকে প্রতিপক্ষের দুই খেলোয়াড়কে ফাঁকি দিয়ে ফয়সাল আহমেদ ফাহিমের বাঁ পায়ের ক্রসে বল পান এ ফরোয়ার্ড। প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারের ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে বল জালে জড়িয়ে বাংলাদেশকে এগিয়ে দেন। জাতীয় দলের হয়ে এটি তার চতুর্থ গোল।
পরে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই আবারও লিড পায় বাংলাদেশ। ৪৭ মিনিটে সাদ উদ্দিনের নেয়া কিক প্রতিপক্ষের গোলরক্ষক ঠেকালেও রাকিব বল রিসিভ করেন। তার ছোট পাসে বল নিয়েই বাঁ পায়ে ফয়সাল আহমেদ ফাহিম বল জালে জড়িয়ে দলকে আনন্দে ভাসান।
মালদ্বীপকে ২-১ গোলে হারিয়ে লাল-সবুজের দলের বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের দ্বিতীয় রাউন্ডের পা দেয়ায় বড় ভূমিকা রাখেন রাজিব ও ফাহিম। স্বাগতিক এবং অতিথি দলের কোচের কন্ঠে এ দুই ফুটবলারের প্রশংশা ঝরেছে।
ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে মালদ্বীপের কোচ আলী সুজেইন বলেন, ‘রাকিব দুর্দান্ত খেলোয়াড়, ফাহিমও ভালো খেলেছে। দুইজনই বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলার।’
রেফারির শেষ বাঁশি বাজার পর কোচ হ্যাভিয়ের ক্যাবরেরাকে শূন্যে তুলে বাংলাদেশের ফুটবলারদের উদযাপন করেতে দেখা যায়। পরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে রাকিব ও ফাহিম সম্পর্কে তার ভাষ্য, ‘তারা দুইজনই গোল করেছে। তাদের প্রতি আমার আস্থা ছিল।’







