ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়েছে। তার মরদেহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবরের পাশে দাফন করা হয়।
শনিবার (২০ ডিসেম্বর) ২টার দিকে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় রাখা হয় শরিফ ওসমান হাদির মরদেহ। পরে সেখানে জানাজা সম্পন্ন হয়। জানাজাকে কেন্দ্র করে সকাল থেকে মানিক মিয়া এভিনিউতে দেখা যায় লাখো মানুষের ঢল।
সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় ওসমান হাদির জানাজায় সমবেত জনতার একটি সংবাদ নিজের ফেসবুক ওয়ালে শেয়ার করেন সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।
আর ক্যাপশনে লিখেন,“ওরা হাদিকে নিশ্চিহ্ন করতে চেয়েছিলো। আর হাদি হয়ে উঠলো সবচেয়ে বড় চিহ্ন- স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের।”
এরআগে গেল সপ্তাহে হাদিকে গুলি করে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে ফারুকী সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে লিখেছিলেন,“এখনই সময় আবার ঘন হয়ে আসার, গোল হয়ে আসার। ফ্যাসিবাদীরা বিচারের মুখোমুখি হওয়াতো দূরের কথা, কোনো অনুশোচনা বোধ করে নাই। বরং খুনের রাজনীতি চালিয়ে যাচ্ছে। এখনই সময় সিদ্ধান্ত নেয়ার- ফ্যাসিবাদীদের আর এক চুলও ছাড় নয়। ”
তখন ফারুকী লিখেছিলেন, “জুলাই আমাদের বদলে দিয়েছে চিরতরে। বাংলাদেশ আর কারো দাসত্ব করবে না। হাদি একজন ব্যক্তি নন- হাদিরা হাজারে হাজার, কাতারে কাতার।”







