আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দামামা বেজে গেছে উত্তর জনপদের ঠাকুরগাঁওয়ে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকালে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের রাজনৈতিক চিত্রটি আরও স্পষ্ট হল। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের আবেদনটি বৈধ বলে ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ইশরাত ফারজানা।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ঠাকুরগাঁও-১ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি দেলাওয়ার হোসেন এবং ইসলামি আন্দোলনের প্রার্থী খাদেমুল ইসলামের মনোনয়নপত্রও সঠিক পাওয়া গিয়েছে। ফলে হাই-ভোল্টেজ এই আসনে ত্রিমুখী বা বহুমুখী লড়াইয়ের প্রেক্ষাপট এখন থেকেই তৈরি হতে শুরু করেছে।
সংশোধিত তফসিল অনুযায়ী, গত ২৯ ডিসেম্বর ছিল মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন। ৩০ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া চলবে আগামী ২০২৬ সালের ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত।
আপিল দায়ের: রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ৫ থেকে ৯ জানুয়ারির মধ্যে আপিল করা যাবে।
নিষ্পত্তি: দায়ের হওয়া আপিলগুলির ফয়সালা হবে ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারির মধ্যে।
প্রত্যাহার: কোনও প্রার্থী চাইলে ২০ জানুয়ারির মধ্যে তাঁর মনোনয়ন সরিয়ে নিতে পারবেন।
প্রতীক বরাদ্দ: ২১ জানুয়ারি চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ও প্রতীক বরাদ্দের মাধ্যমে শুরু হবে আসল কাউন্টডাউন।
আগামী ২২ জানুয়ারি থেকে প্রার্থীরা কোমর বেঁধে নামবেন প্রচারের ময়দানে। ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত চলবে সেই প্রচারের পালা। সব শেষে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ব্যালট যুদ্ধে নির্ধারিত হবে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের ভাগ্য।
আপাতত ফখরুলের মনোনয়ন বৈধ হওয়ার খবরে জেলা বিএনপির অন্দরে খুশির হাওয়া, তবে ভোটের পাটিগণিতে শেষ হাসি কে হাসবেন, তা বলবে উত্তর জনপদের ঠাকুরগাঁওয়ের জনতা।







