দফায় দফায় বিদ্যুৎ ও গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ১৯৯০ এর স্বৈরাচার বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃবৃন্দেররা।
আজ গণমাধ্যমে দেয়া ১৯৯০ স্বৈরাচার বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক ছাত্র নেতা সালেহ আহমেদ স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ উদ্বেগের কথা জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, বৈশ্বিক করোনা বিপর্যয়ে বিগত তিন বছর বিশ্বব্যপী উৎপাদন, বন্টন, শিল্প-বাণিজ্যের নানা সংকট অন্যান্ন দেশের মত আমাদের দেশেও কর্মহীন জনসংখ্যা বৃদ্ধি, ব্যবসা বাণিজ্যের মন্দা, খাদ্যদ্রব্যসহ নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের মূল্য বৃদ্ধিতে জনজীবন সংকটাপন্ন। অন্যদিকে ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে বিশ্বব্যপী অর্থনৈতিক মন্দা, খাদ্য, জ্বালানী সংকট তীব্রতর আকার রূপ নিয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, জনজীবনের ধারাবাহিক অস্থিরতা নিরসনে ইতোমধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে নানা ধরনের প্রতিশ্রুতির কথা বলা হলেও আমরা লক্ষ করছি যে দেশের ব্যাংকিং খাত সহ বিভিন্ন সেক্টরে অনিয়ম, অর্থপাচার নীতিহীনতার প্রেক্ষাপটে প্রতিনিয়ত দেশের মানুষ পরিবার পরিজন নিয়ে নাভিশ্বাস পরিস্থিতি গভীর থেকে গভীরতর হচ্ছে। দফায় দফায় জ্বালানী মূল্য বৃদ্ধির পাশাপাশি বিগত ১৯দিন পূর্বে সরকার শিল্প-বাণিজ্য খ্যাতে পূর্বে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি করেছে। আবারো বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনকে উপেক্ষা করে বিদ্যুৎ, গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধির ঘোষণা দেয়া হয়েছে।
বিদ্যুৎ, গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধির ঘোষণা দেশে নতুন করে জনজীবনে বিপর্যয় ডেকে আনবে। নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির পাশাপাশি কর্মসংস্থান সংকুচিত হবে। যোগাযোগ ব্যবস্থার উপর নেতিবাচক প্রভাব বাড়বে, তাতে করে সামাজিক ও রাজনৈতিক ক্ষেতে অস্থিরতা আরও গভীরতর হবে বলে বিবৃতিতে জানানো হয়।
নেতাবৃন্দরা বলেন, আমরা মনে করি সরকারের এই বিদ্যুৎ ও জ্বালানী মূল্যে সমন্বয়ের এই ঘোষণা জাতীয় জীবনে বিপর্যয় ডেকে আনবে। আমরা অতি বিলম্বে সরকারের এই ঘোষণা প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছি।
নাজমুল হক প্রধান, মোস্তফা ফারুক, নুর আহমেদ বকুল, শফি আহমেদ, বজলুর রশিদ ফিরোজ, আখতার সোবহান মাশরুর, আমিনুল ইসলাম, মনসুরুল হাই সোহন, সুজাউদ্দিন জাফর, বেলাল চৌধুরী, ডা. সরদার ফারুক, মুখলেছউদ্দিন শাহীন, সিরাজুমমূনীর, রেজাউল করিম শিল্পী, রাজু আহমেদ, সালেহ আহমেদ, হারুন মাহমুদ, জায়েদ ইকবাল খান, কামাল হোসেন বাদল, বদরুল আলম, আকরামুল হক প্রমুখ নেতৃবৃন্দ এই বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন।








