গুমের প্রতিটি ঘটনা শেখ হাসিনার নির্দেশেই হয়েছে বলে জানিয়েছেন গুম সংক্রান্ত তদন্ত কমিশনের সভাপতি অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী।
মঙ্গলবার (৪ মার্চ) দুপুরে গুম সংক্রান্ত তদন্ত কমিশন কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। তিনি জানান, গুম সংক্রান্ত কমিশনে এ পর্যন্ত এক হাজার ৭৫২টি অভিযোগ জমা পড়েছে এবং সেগুলোর মধ্য থেকে এক হাজার অভিযোগের যাচাই-বাছাই প্রাথমিকভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
বিচারপতি মইনুল বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর যারা গুমের সাথে জড়িত ছিল, তা তাদের ব্যক্তিগত ফৌজদারি দায়। এতে কমিউনিটিকে দোষারোপ করার কোনো সুযোগ নেই। গুমের সাথে জড়িত কতিপয় ব্যক্তির জন্য পুরো বাহিনী আতঙ্কগ্রস্ত বা প্যানিক স্ট্রিকেন হয়ে যাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, গুমের সাথে জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা হলে সংশ্লিষ্ট বাহিনীর কালিমা মোচন হবে।
পুলিশ লাইন্সের ভেতরেও গুম সংক্রান্ত তদন্ত কমিশন গোপন বন্দীশালার সন্ধান পেয়েছে বলেও জানান মইনুল ইসলাম চৌধুরী।
মইনুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ভারতের বিভিন্ন কারাগারে গত দুই-আড়াই বছরে আটক এক হাজার ৬৭ জনের নাম-ঠিকানাসহ একটি তালিকা পাওয়া গেছে। গুমের শিকার ৩৩০ জনের অবস্থান জানার জন্য অনুসন্ধান চলছে। তাদের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা “ক্ষীণ” উল্লেখ করে তিনি বলেন, কিন্তু কয়েকজন বেঁচে থাকতে পারে।







