আসরে বাংলাদেশের বিপক্ষে একমাত্র ম্যাচটি বাদ দিলে আর কোনটিতে এখন পর্যন্ত জয়ের দেখা পায়নি ইংল্যান্ড। একের পর এক ম্যাচ হেরে পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে রয়েছে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দলটি। সবশেষ অস্ট্রেলিয়ার কাছে হার দেখতে হয়েছে আগেই সেমিফাইনালের স্বপ্ন ভাঙা জস বাটলারদের। ম্যাচ শেষে এমন হারের কারণ জানাতে গিয়ে বাটলার বলেছেন, জাম্পা-স্টার্কের জুটিই ডুবিয়েছে ইংলিশদের।
‘হতাশাজনক। মনে হচ্ছে প্রতিটি ম্যাচের পর আমরা একইরকম আলোচনায় বসছি। এটি নিম্নমুখী ফল। এই রানটা তাড়া করা উচিত ছিল। আমরাও সেই লক্ষ্যেই এগোচ্ছিলাম। আরও ভালো পারফর্ম করতে পারতাম। অজি ইনিংসে জাম্পা-স্টার্কের পার্টনারশিপটা আমাদের জন্য হতাশার ছিল। হয়তো স্কোরবোর্ডে আরও ৩০টা রান কম থাকত। আর আমরা সেই রানটাই করতে ব্যর্থ হয়েছি।’
বল হাতে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট নেন অজিদের অ্যাডাম জাম্পা। দুই সেট ব্যাটার বেন স্টোকস এবং মঈন আলীর সঙ্গে তুলে নেন অধিনায়ক বাটলারের উইকেট। ৭ বলে ১ রান করা বাটলার নিজের আউট নিয়ে বলেছেন, ‘আমার মনে হয়, সঠিক শটই খেলেছিলাম। তবে ঠিকঠাক হয়নি। প্রতিপক্ষের উপর চাপ বাড়াতে চেয়েছিলাম। আমার নিজের ফর্মও সত্যিই চিন্তার বিষয়।’
৩৩ বর্ষী বাটলার বলেছেন, ‘আমরা যে আশা নিয়ে ভারতে এসেছি, আর এখন যে অবস্থানে দাঁড়িয়ে আছি, সেটি অবিশ্বাস্যভাবে কঠিন ও হতাশাজনক। যা আসলে আমাদের জন্য কষ্টদায়ক। আমরা নিজেদের প্রতি ন্যায় বিচার করতে পারিনি। সর্বস্ব দিয়ে চেয়েছিলাম। ২০১৯ সালে সাফল্য পেয়েছি। প্রত্যেকেই জানে এমন সাফল্যের জন্য কতটা পরিশ্রম করতে হয়। মনে হচ্ছে, আমাদের ব্যর্থতার জন্য প্রচুর লোক হেরেছে।’
এখান থেকেও চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির যোগ্যতা অর্জন সম্ভব, এমনটাই মনে করছেন বাটলার। এজন্য বাকি ম্যাচ জিতে অন্যদলের ফলের উপরও নজর রাখতে হবে।
শনিবার আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে টসে জিতে অস্ট্রেলিয়াকে আগে ব্যাটের আমন্ত্রণ জানান ইংলিশ অধিনায়ক জশ বাটলার। ৪৯.৩ ওভারে ২৮৬ রানে গুটিয়ে যায় অজি দলটি। জবাবে নেমে ৪৮.১ ওভারে ২৫৩ রানে গুটিয়ে যায় বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের ইনিংস।
সাত ম্যাচে এক জয়ে দশ দলের পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে রয়েছে ইংল্যান্ড। সমান ম্যাচে পাঁচ জয়ে ১০ পয়েন্ট নিয়ে তিনে অস্ট্রেলিয়া। ১৪ পয়েন্ট নিয়ে ভারত ও ১২ পয়েন্ট নিয়ে সাউথ আফ্রিকার সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত হয়েছে।
৮ পয়েন্ট করে নিয়ে নিউজিল্যান্ড চারে, পাকিস্তান পাঁচে, আফগানিস্তান ছয়ে আছে। নিউজিল্যান্ড ও পাকিস্তান একটি করে ম্যাচ বেশি খেলেছে। আর বাংলাদেশের অবস্থান নয়ে।







