ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের ঈদযাত্রা শুরু হয়েছে আজ শনিবার (২৩ মে)। ভোর ৬টায় ঢাকা থেকে বিশেষ ব্যবস্থায় রাজশাহীগামী ধূমকেতু এক্সপ্রেস ছেড়ে যাওয়ার মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় এবারের রেলযাত্রা। এরপর একে একে দেশের বিভিন্ন জেলার উদ্দেশ্যে যাত্রী নিয়ে রাজধানী ছেড়ে যায় আরও কয়েকটি ট্রেন।
সকাল ১০টা পর্যন্ত ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে অন্তত ১২টি ট্রেন ছেড়ে গেছে। তবে অধিকাংশ ট্রেন নির্ধারিত সময়ের তুলনায় ১৫ থেকে ৩০ মিনিট বা তারও বেশি দেরিতে স্টেশন ত্যাগ করেছে।
সবশেষে রংপুরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায় ‘রংপুর এক্সপ্রেস’। ট্রেনটির সকাল ৯টা ১০ মিনিটে ছাড়ার কথা থাকলেও এটি স্টেশন ছাড়ে সাড়ে ৯টায়। অন্যদিকে, জামালপুরগামী ‘জামালপুর এক্সপ্রেস’ সকাল ১০টায় ছেড়ে যাওয়ার কথা থাকলেও ১০টা ১০ মিনিট পর্যন্ত ট্রেনটি স্টেশন ত্যাগ করেনি।
এদিকে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কমলাপুর রেলস্টেশনের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম পরিদর্শন করেন বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক (ডিজি) মো. আফজাল হোসেন। এ সময় তিনি যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে অনলাইনে টিকিট সংগ্রহে কোনো জটিলতা হচ্ছে কি না এবং নির্ধারিত আসনে বসে যাত্রা করতে পারছেন কি না, তা জানতে চান।
যাত্রীরা জানান, এখন পর্যন্ত অতিরিক্ত চাপ না থাকায় নির্ধারিত আসন পেতে বড় ধরনের সমস্যা হচ্ছে না। তবে কয়েকজন যাত্রী ট্রেনের সেবার মান নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তাদের অভিযোগ, কিছু বগিতে ফ্যান নষ্ট, সিট ভাঙা এবং টয়লেট অপরিচ্ছন্ন অবস্থায় রয়েছে।
যাত্রীদের অভিযোগ শুনে দ্রুত সমস্যাগুলো সমাধানের আশ্বাস দেন রেলওয়ের মহাপরিচালক।
সকাল ১০টা থেকে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত কমলাপুর রেলস্টেশনে অবস্থান করে দেখা যায়, বেশির ভাগ ট্রেনই তুলনামূলকভাবে সময়মতো প্ল্যাটফর্ম ছাড়ছে। যাত্রীদের বাড়তি চাপ সামাল দিতে কয়েকটি ট্রেনে অতিরিক্ত কোচও সংযুক্ত করা হয়েছে।
এ সময় সিলেটগামী জয়ন্তিকা এক্সপ্রেসে যাত্রার প্রস্তুতি নিতে দেখা যায় গৃহিণী সালমা বেগমকে। বেলা সোয়া ১১টায় ট্রেনটি ছাড়ার কথা থাকলেও সেটি স্টেশন ছাড়ে ১১টা ২১ মিনিটে।








