মিশরের দামিয়েত্তা বন্দরে সাম্প্রতিক ড্রোন হামলার ঘটনায় ইরানকে দায়ী করে প্রকাশিত সংবাদ প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে কায়রো। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনো দেশ বা পক্ষের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে দায় আরোপ করা হবে না বলে জানিয়েছে মিশরীয় কর্তৃপক্ষ।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) দেশটির তথ্যবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী দিয়া রাশওয়ান বলেন, হামলার ঘটনায় তদন্ত চলছে এবং তদন্তে যে তথ্য-প্রমাণ উঠে আসবে, তার ভিত্তিতেই রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিক অবস্থান জানাবে। তদন্ত সম্পন্ন হওয়ার আগে কোনো পক্ষকে দায়ী করা হবে না।
রাশওয়ান আরও জানান, হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির দেওয়া বক্তব্যও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত পুরোপুরি তদন্তের ফলাফলের ওপর নির্ভর করবে।
গত ২৯ জুলাই মিশরের গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রবন্দর দামিয়েত্তায় অজ্ঞাত একটি ড্রোন হামলায় দুটি গ্যাসবাহী জাহাজে আগুন ধরে যায়। তবে জরুরি সেবা ও দমকল বাহিনীর দ্রুত তৎপরতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয় এবং এই ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
হামলার পর মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুই মিশরীয় কর্মকর্তার বরাত দিয়ে দাবি করে, কায়রো এই হামলার জন্য ইরানকে দায়ী করছে এবং ঘটনাটিকে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত আরও বিস্তারের প্রচেষ্টা হিসেবে দেখছে। তবে সেই দাবি সরাসরি নাকচ করেছে ইরান।
দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি অভিযোগ করে বলেন, আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতা তৈরির উদ্দেশ্যে ইসরায়েল ‘ফলস-ফ্ল্যাগ’ অভিযান বা ষড়যন্ত্রমূলক হামলা চালাতে পারে।







