আগামী অর্থবছরে শিক্ষাখাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, এবছর শিক্ষার বাজেট ২ শতাংশ দেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে ৫ শতাংশে উন্নিত করা হবে। আগামী অর্থবছরের শিক্ষার বাজেট সর্বোচ্চ। টাকার অংকে ১ লাখ ২৩ হাজার কোটি টাকা।
আজ (৪ জুন) বৃহস্পতিবার রাজধানীর মিরপুরে ন্যাশনাল বাংলা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ এর জাতীয় পর্যায়ের খেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে জাতীয় বাজেটের প্রায় ২ শতাংশ শিক্ষা খাতে ব্যয় করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে তা ৫ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। শিক্ষার উন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের কল্যাণে সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে এবং প্রধানমন্ত্রী নিয়মিতভাবে শিক্ষা খাতের খোঁজখবর নিচ্ছেন।
ড. এহছানুল হক মিলন বলেন, শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ নিশ্চিত করতে খেলাধুলাকে পাঠ্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের আনন্দময় শিক্ষা নিশ্চিত করতে ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ কর্মসূচিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জন্য খেলাধুলা বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য স্কুল ড্রেস প্রদানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অপুষ্টি দূর করে শিক্ষার্থীদের মনোযোগী করে তুলতে মিড-ডে মিল বা স্কুল ফিডিং কর্মসূচি সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। চলতি বছরের মধ্যেই দেশের সব স্কুলে এ কার্যক্রম চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।
শিক্ষকদের কল্যাণ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ২০২২ সালের পর যেসব শিক্ষক কল্যাণ ট্রাস্ট ও অবসর ভাতার অর্থ পাননি, তাদের বকেয়া অর্থ পরিশোধের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে প্রায় ২ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দ পাওয়া গেছে এবং সেখান থেকে পর্যায়ক্রমে শিক্ষকদের পাওনা পরিশোধ করা হবে।
অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, আজকের শিশুরাই আগামী দিনের বাংলাদেশ গড়বে। তাই তাদের খেলাধুলা, শিক্ষা ও সৃজনশীল বিকাশে বিনিয়োগ করাই সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার।








