সৌদি আরবের জাতীয় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণাকেন্দ্রের প্রধান গবেষক বাংলাদেশি বিজ্ঞানী ও গবেষক এহসান হকের সাথে মতবিনিময় করেছেন দূতাবাসের চার্জ দ্যা এফেয়ার্স মো. আবুল হাসান মৃধা। এসময় দূতাবাসের মিনিস্টার এস এম রাকিবুল্লাহ ও প্রথম সচিব মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
শনিবার ২ সেপ্টেম্বর রিয়াদে সৌদি ডেটা অ্যান্ড এআই অথরিটি-এর অফিসে এহসান হকের সাথে এ মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় এহসান হক জানান, সৌদি আরব কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার পেছনে ইতিমধ্যেই বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করেছে। ২০৩০ সালের মধ্যে সৌদি ভিশন বাস্তবায়নের পাশাপাশি সৌদি আরব কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তিতে শীর্ষ দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম হওয়ার লক্ষ্যে কাজ করছে।
তিনি বলেন, সৌদি আরবের নতুন মেগা প্রকল্প ও জাতীয়ভাবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি ব্যবহার নিয়ে কাজ শুরু করেছে। আগামী দিনে এ সেক্টরে সৌদি আরব নিজের ব্যাপক উন্নতি প্রত্যাশা করছে।
এ সময় দূতাবাসের চার্জ দ্যা এফেয়ার্স মিশন উপপ্রধান জানান, বাংলাদেশের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি উন্নয়নে সৌদি আরবের সাথে একযোগে কাজ করতে পারে। এছাড়া বাংলাদেশ সৌদি নেতৃত্বাধীন ডিজিটাল কোপারেশন অর্গানাইজেশন (DCO) -এর সদস্যপদ গ্রহণে কাজ করছে, যাতে সৌদি আরবের সাথে আগামী দিনে ডিজিটাল প্রযুক্তি উন্নয়নে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করা যায়, যাতে দু’দেশই উপকৃত হতে পারে।
বিজ্ঞানী ও গবেষক এহসান হক বলেন, বাংলাদেশ থেকে অভিবাসীকর্মীরা সৌদি আরবে আসার আগে আরবি বা ইংরেজি ভাষা কিছুটা শিখে আসলে এবং যেকোন কারিগরি দক্ষতা অর্জন করে আসলে ভাল চাকরি পাওয়া সম্ভব এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি ব্যবহার করে তরুণদের প্রশিক্ষিত করাও সম্ভব।
এহসান হক আরও বলেন, আগামী দিনে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ডেটা ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি ব্যাপক ভূমিকা রাখবে।
এসব ক্ষেত্রে সৌদি ডেটা অ্যান্ড এআই অথরিটির সাথে বাংলাদেশের কাজ করার সুযোগ রয়েছে বলে তিনি মনে করেন।








