রাজধানীর রাস্তায় ট্রাফিক পুলিশ চোখে না পড়লেও এখন আপনাকে নজরদারিতে রাখছে এআই ক্যামেরা। সিগন্যাল ভাঙলেন, উল্টো পথে গেলেন কিংবা যেখানে-সেখানে গাড়ি থামালেন মুহূর্তেই স্ক্যান হয়ে যাচ্ছে নম্বরপ্লেট, আর কিছুক্ষণের মধ্যেই চলে আসছে মামলার নোটিশ।
ঢাকার ট্রাফিক ব্যবস্থায় এবার যুক্ত হয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক ডিজিটাল প্রসিকিউশন সিস্টেম। বৃহস্পতিবার ৭ মে থেকে ডিএমপির আওতাধীন এলাকায় এই ব্যবস্থা চালু হয়েছে। এখন ট্রাফিক আইন ভাঙলেই ক্যামেরায় ধারণ করা ছবি ও ভিডিওর ভিত্তিতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মামলা হবে এবং গাড়ির মালিকের ঠিকানায় নোটিশ পাঠানো হবে।
ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. আনিছুর রহমান জানিয়েছেন, আইন অমান্য করলেই অটো মামলা রেকর্ড হবে। নির্ধারিত সময়ে জরিমানা পরিশোধ না করলে পরবর্তী ধাপে সমন বা গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি হতে পারে।
প্রাথমিকভাবে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল থেকে জাহাঙ্গীর গেট পর্যন্ত এই প্রযুক্তি চালু হয়েছে। ভবিষ্যতে পুরো রাজধানীতে প্রায় ১১ হাজার এআই সমর্থিত সিসিটিভি ক্যামেরা বসানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
বর্তমানে ৫ ধরনের অপরাধ সরাসরি শনাক্ত করছে এই সিস্টেম লালবাতি অমান্য, স্টপ লাইন পার হওয়া, উল্টো পথে গাড়ি চালানো, অবৈধ পার্কিং এবং লেফট লেন ব্লক করা। এসব অপরাধ ঘটলেই ডিজিটাল মামলা হবে।
ডিএমপি জানিয়েছে, জরিমানার নামে কোনো ব্যক্তিগত নম্বরে টাকা পাঠানো যাবে না। কোনো সন্দেহজনক বার্তা পেলে দ্রুত থানায় যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।
প্রযুক্তির এই নতুন নজরদারিতে ঢাকার রাস্তায় আইন ভাঙার সুযোগ আগের চেয়ে অনেক কমে গেছে। তাই জরিমানা ও আইনি ঝামেলা এড়াতে এখন একটাই উপায় ট্রাফিক আইন মেনে চলা।







