বাংলাদেশের কৃষি মন্ত্রণালয় এবং যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অফ এগ্রিকালচার জলবায়ু ‘স্মার্ট কৃষি এবং উদ্ভাবনী জৈবপ্রযুক্তির যোগসূত্র’ বিষয়ক সংলাপের আয়োজন করেছে। এতে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের সাথে খাপ খাইয়ে নেওয়া ও তা প্রশমিত করতে উদ্ভাবনী জৈবপ্রযুক্তির সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করা হয়। তিনটি কারিগরি সেশনে বিজ্ঞানী, শিক্ষাবিদ, নিয়ন্ত্রক এবং নীতিনির্ধারকরা জৈবপ্রযুক্তি সম্পর্কিত নতুন নীতি এবং গবেষণা ভাগ করে নেন।
১১ সেপ্টেম্বর সোমবার রাজধানীর র্যাডিসন ব্লু হোটেলে এই সংলাপের আয়োজন করা হয়।
যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের চার্জ ডি’অ্যাফেয়ার্স,নেথান ফ্লুক এবং বাংলাদেশের কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব ওয়াহিদা আক্তার উদ্বোধনী অধিবেশনে কৃষি খাতে জলবায়ু সহনশীলতা গড়ে তুলতে নির্ভুল জৈবপ্রযুক্তির গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, লবণাক্ততা, খরা এবং নতুন কীটপতঙ্গের আক্রমণ কৃষকদের জন্য লাভজনক খাদ্য উৎপাদন কঠিন করে তুলেছে।
চার্জ ডি’অ্যাফেয়ার্স ফ্লুক, কৃষিতে সহনশীলতা তৈরি এবং বিশ্বব্যাপী খাদ্য নিরাপত্তা বাড়ানোর নিরাপদ হাতিয়ার হিসেবে কৃষিতে জৈবপ্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, বাইডেন প্রশাসন জৈবপ্রযুক্তিগত উদ্ভাবনকে সুরক্ষা এবং সমর্থনের বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দিয়েছে। বিভিন্ন সরঞ্জাম কৃষকদের কাছে যত দ্রুত সম্ভব ব্যবহার উপযোগী করে তুলতে যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনে বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ দেশ। বিজ্ঞানীরা জৈবপ্রযুক্তি ব্যবহার করে, পরিবর্তনশীল পরিবেশে সাড়া দিতে সক্ষম। মার্কিন দূতাবাস এই নতুন প্রযুক্তি গ্রহণে বাংলাদেশকে সমর্থন অব্যাহত রাখতে প্রস্তুত রয়েছে।
জিন-সম্পাদনা কৃষকদের কীভাবে স্বল্প সম্পদে অধিক খাদ্য উৎপাদনে সহায়তা করতে পারে এবং অন্যান্য প্রযুক্তি কীভাবে বাংলাদেশকে তার জলবায়ু পরিবর্তন লক্ষ্যে পৌঁছাতে সাহায্য করবে তা চিহ্নিত করার একটি সুযোগ ছিল এই সংলাপ।







