সিলেট থেকে: সিলেট টাইটানসের বিপক্ষে উদ্বোধনী ম্যাচে দাপুটে জয় পেয়েছিল রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। সিলেটের দেয়া ১৯১ রানের লক্ষ্যে নেমে ৮ উইকেটে জিতেছিল তারা। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত সেঞ্চুরি করেছিলেন, মুশফিকুর রহিম করেছিলেন ফিফটি। কিন্তু পরের ম্যাচে ঢাকা ক্যাপিটালসে বিপক্ষে নেমে ৫ উইকেটে হেরেছে রাজশাহী।
সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে শনিবার ঢাকা ক্যাপিটালস টসে জিতে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সকে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানায়। আগে ব্যাটে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৩২ রান সংগ্রহ করে রাজশাহী। লক্ষ্যে নেমে ৭ বল ও ৫ উইকেট হাতে রেখে জয়ের বন্দরে নোঙর করে ঢাকা।
শোককে যেন শক্তিতেই পরিণত করেছে ঢাকা। ম্যাচ শুরু মিনিট বিশেক আগে হার্ট অ্যাটাকে মারা যান দলটির সহকারী কোচ মাহবুব আলী জাকি। পরে ঢাকার ইনিংসের আগে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন দুদলের খেলোয়াড়রা।
১৩৩ রানের লক্ষ্য তাড়ায় নেমে শুরুতেই সাইফ হাসানকে হারিয়ে চাপে পড়ে ঢাকা। তবে উসমান খান ও আব্দুল্লাহ আল মামুনের ৩৭ রানের জুটি দলকে ম্যাচে ফেরায়। উসমান ১৫ বলে ১৮ রান করে ফিরলেও একপ্রান্ত আগলে রাখেন মামুন। হাফ-সেঞ্চুরি মিস করে তিনি থামেন ৪৫ রানে।
অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন (১২) ও নাসির হোসেন (১৯) বড় অবদান রাখতে না পারলেও শেষদিকে শামীম হোসেন পাটোয়ারী ও সাব্বির রহমানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে জয়ের বন্দরে পৌঁছায় ঢাকা। ১৮ বলে ৩৬ রানের জুটিতে ম্যাচ শেষ করেন তারা। সাব্বির ১০ বলে ২১ ও শামীম ১৩ বলে ১৭ রানে অপরাজিত থাকেন।
রাজশাহী বোলারদের মধ্যে মোহাম্মদ নাওয়াজ ছিলেন সবচেয়ে সফল। ২১ রানে নেন ৩ উইকেট। এছাড়া তানজিম সাকিব ও সন্দীপ লামিচানে নেন একটি করে উইকেট।
এর আগে প্রথম বলেই উইকেট হারায় রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। সাহিবজাদা ফারহান স্টাম্পিং হন স্বদেশি ইমাদ ওয়াসিমের বলে। ১৫ বলে ২০ রান করে ফেরেন আরেক ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। তাকে তুলে নেন নাসির হোসেন।
এরপর নিয়মিত বিরতিতেই উইকেট হারাতে থাকে রাজশাহী। ৮৫ রানে ৫ উইকেট হারায় দলটি। এক নাজমুল হোসেন শান্ত (২৮ বলে ২টি করে চার-ছক্কায় ৩৭) ছাড়া আর কোনো ব্যাটার সুবিধা করতে পারেননি।
ইয়াসির আলী ১৫ বলে ১৩, মুশফিকুর রহিম ২৩ বলে ২৪, এসএম মেহরাব করেন শূন্য। শেষদিকে ২৬ বলে অপরাজিত ২৬ রান করে রাজশাহীকে ১৩২ পর্যন্ত নিয়ে যান মোহাম্মদ নাওয়াজ।
ঢাকার ইমাদ ওয়াসিম মাত্র ১৬ রান দিয়ে শিকার করেন ৩ উইকেট। ৩২ রানে ২ উইকেট নেন নাসির হোসেন।








