অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের স্বার্থেই মাঠ প্রশাসনে রদবদল করা হয়েছে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ইসি আরো জানিয়েছে, প্রয়োজনে ডিসি-এসপিদেরও বদলি করা হতে পারে।
এবার ভোটে রেকর্ড সংখ্যক ৭’শ ৪৭ জন স্বতন্ত্রপ্রার্থীর নির্বাচনী প্রচার বাধাহীন করতে জনপ্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সব বিভাগকে নির্দেশ দিয়েছে ইসি।
ভোটের সময় ইসিতে ছুটির দিন বলে কিছু নেই। সকাল থেকেই কমিশনারদের সঙ্গে দু’দফা সংক্ষিপ্ত বৈঠক করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। পরে এসবি প্রধান মনিরুল ইসলামের সঙ্গেও সিইসি ঘণ্টা দেড়েক বৈঠক করেন।
এর আগে শুক্রবার দু’টি আলাদা প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে মাঠ পর্যায়ে ওসি ও ইউএনদের রদবদলের আদেশের কথা জানানো হয়। ইসি বলছে, সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে প্রয়োজনে ডিসি-এসপিদেরও বদলি করা হতে পারে।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটে অংশ নেয়া নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের সংখ্যা ২৯ টি। মনোনয়পত্র দাখিল করেছেন ২ হাজার ৭ শত ১২ জন। এবার রেকর্ড সংখ্যক স্বতন্ত্র ব্যক্তি নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন। ৭শ’ ৪৭ জন স্বতন্ত্র প্রার্থীকে নির্বিঘ্নে ভোটের প্রচার চালানোসহ সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
১৮ই ডিসেম্বর শুরু হবে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচার। এখন পর্যন্ত ৩০ জন সম্ভাব্য প্রার্থীকে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘণের অভিযোগে তলব করেছে নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটি।







