ঘূর্ণিঝড় ডানার প্রভাবে টানা তিন দিনের বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ায় কৃষিতে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে সাতক্ষীরার আশাশুনি, শ্যামনগর ও কালিগঞ্জে।
গত ১৭ বছরে সিডর, আইলা, আম্পান এবং ইয়াসের মতো অন্তত ১৪টি বড় ঝড় জলোচ্ছ্বাস দেখেছে সাতক্ষীরার উপকূলের সাধারণ মানুষ। একেবারে প্রকৃতির কাছে ছেড়ে দিতে হয়েছে জীবনকে।
বাংলাদেশের দক্ষিণ পশ্চিমের জেলা সাতক্ষীরার মানুষের জীবন জীবিকার উৎস লোনা পানির মৎস্য ঘের। টানা বৃষ্টিতে সম্ভাবনাময় কাকড়া চাষেও ক্ষতি হয়েছে।
সাতক্ষীরার কৃষি সম্প্রসারণের অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, চলতি মৌসুমে আমন ধান রোপন করা হয়েছে ৮৮ হাজার ৫০ হেক্টর জমিতে। যার মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ২১১ হেক্টর জমিতে।
গতবছর ঘূর্ণিঝড় রিমালের ক্ষত কাটিয়ে উঠতে পারেনি সাতক্ষীরার সাধারণ মানুষ। এরইমধ্যে দানার টানা বৃষ্টিতে জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত করেছে। বৃষ্টিতে রবি মৌসুম তথা শীতকালীন শাকসবজি ও আমন ধানে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।








