দেশব্যাপী জাতীয় নির্বাচনের আগে ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড ও বিদেশীদের অযাচিত হস্তক্ষেপের প্রতিবাদে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি মানববন্ধন করেছে।
বুধবার ২২ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে বেলা সাড়ে ১১টায় এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। এ কর্মসূচি দুপুর ১টায় শেষ হয়।
এসময় বাঙালি জাতীয়তাবাদ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সেকেন্দার চৌধুরী বলেন, আপনারা জানেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল বিভাগ ইনস্টিটিউটে ক্লাস-পরীক্ষা চলছে। দায়িত্বশীল শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী যারা আছেন তারা নিজ নিজ কর্মস্থলে থাকবেন। জাতির বিবেক হিসেবে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে, প্রগতিশীলতার পক্ষে এবং জাতীয়তাবাদের পক্ষে আছি বলে আজ আমরা এখানে সমবেত হয়েছি।
তিনি আরও বলেন, ১৯৭১ সালে বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে আমাদের পঙ্গু করে দিতে চেয়েছিল, এটাকে যুদ্ধ কৌশলে পোড়া-মাটি নীতি বলা হয়। নির্বাচনে অংশগ্রহণও করবো না আবার নির্বাচন হতেও দিবো না, এটা গণতন্ত্রের পক্ষের কোনো নেতার কথা হতে পারে না।
চবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মুস্তাফিজুর রহমান ছিদ্দিকী বলেন, গণতন্ত্রে নির্বাচনই হলো সরকার পরিবর্তনের একমাত্র স্বীকৃত পন্থা। সেই নির্বাচনকে বানচাল করতে কিছু অগণতান্ত্রিক শক্তি তৎপর আছে। জনগণকে সচেতন ও ঐক্যবদ্ধ করতেই আজকের এই কর্মসূচি।
তিনি আরও বলেন, সবচাইতে ন্যক্কারজনক ঘটনা হচ্ছে বিদেশীরা আমাদের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে ১৯৭১ সালেও অপতৎপরতা চালিয়েছিল। আজকেও আমরা দেখছি দেশে হাঁস-মুরগির তৎপরতা। এসব হাঁকডাক এদেশের মানুষ ভয় করে না। এদেশের মানুষই এদেশের গণতন্ত্র রক্ষা করবে।
গণতান্ত্রিক পন্থাকে সক্রিয় রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি কর্মসূচির সমাপ্তি ঘোষণা করেন।
মানবন্ধন কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আব্দুল হক, ইংরেজি বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. সুকান্ত ভট্টাচার্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য এবং বাংলা বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ আলী, পদার্থবিদ্যা বিভাগের শিক্ষক শ্যামল রঞ্জন চক্রবর্তী।








