শিক্ষা

চবিতে শ্লীলতাহানির অভিযোগে অধ্যাপক অপসারণের দাবিতে আন্দোলন

শিক্ষার্থীরা শ্লীলতাহানির অভিযোগে অধ্যাপক অপসারণের দাবিতে আন্দোলন করছে. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

শিক্ষার্থীরা চবিতে শ্লীলতাহানির অভিযোগে অধ্যাপক অপসারণের দাবিতে আন্দোলন করছে, বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার হাতে।. Channel i News – চ্যানেল আই নিউজ

অধ্যাপক মাহবুবুল মতিনের বিচারের দাবিতে আন্দোলনে নেমেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। রসায়ন বিভাগের এই অধ্যাপকের বিরুদ্ধে এক ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে।

বৃহস্পতিবার ১ ফেব্রুয়ারি দিনভর বিভাগের শিক্ষার্থীসহ সাধারণ শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে নানা কর্মসূচির মাধ্যমে বিচারের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে গেছে।

এদিন বেলা ১১টায় বিভাগের সামনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। পরে দুপুর ২টা থেকে ৩টা শহীদ মিনারে অবস্থান কর্মসূচি চলে। ৩টার পর থেকেই শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ভবনের সামনে মানববন্ধন শুরু করে।

পাশাপাশি ছাত্রলীগের একটি মিছিলও বের করা হয় সুষ্ঠু বিচারের দাবিতে। আন্দোলনে সাধারণ শিক্ষার্থীরাও স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ করেছে।

এ সময়ে শিক্ষার্থীরা অধ্যাপক মাহবুবুল মতিনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে থাকে। প্ল্যাকার্ডগুলোতে অধ্যাপক ছাত্রীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অসংগত কমেন্ট করতেন, ক্লাসে মেয়েদের উদ্দেশে বিভিন্ন অসংযত মন্তব্য করতেন, ইত্যাদি উল্লেখ করা হয়।

প্রশাসনিক ভবনের সামনে উপস্থিত একাধিক শিক্ষার্থী চ্যানেল আই অনলাইনকে জানান, উনি ক্লাসে মেয়েদের ও নারী সহকর্মীদের উদ্দেশে কটুক্তি করে মন্তব্য করতেন। কেউ প্রতিবাদের চেষ্টা করলে, ও তো আমার মেয়ের মতন এসব কথা বলে তার অসৌজন্যমূলক আচরণগুলোকে স্বাভাবিক ও সাধারণ ঘটনা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করতেন।

শিক্ষার্থীরা শ্লীলতাহানির অভিযোগে অধ্যাপক অপসারণের দাবিতে আন্দোলন করছে. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

রসায়ন বিভাগের মাস্টার্সে অধ্যয়নরত এক শিক্ষার্থী জানান, আমরা বিভাগে ঢুকেই তার চরিত্র সম্পর্কে অনেক কিছু শুনেছিলাম। আগে শোনা পর্যন্তই ছিল কিন্তু এখন আমাদের তিনজন বান্ধবী তার সুপারভিশানে থিসিস করায় এসব কথার প্রমাণ মিলেছে। এরকম শিক্ষক আমাদের দরকার নেই। আমরা তার স্থায়ী বহিষ্কার হওয়া পর্যন্ত লাগাতার আন্দোলন চালিয়ে যাব।

প্রক্টর নুরুল আজিম শিকদার বলেন, অভিযোগ কমিটি এখনও তদন্ত করছে। বেলা আড়াইটায় অভিযুক্ত এবং ভুক্তভোগী দু’জনের সাথে কথা বলা শুরু হয়েছে। এখন কমিটি বিভাগের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সকলের সাথে কথা বলবেন। তারপর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

বিষয়:চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের আন্দোলন

আরও পড়ুন

পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…