বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহীদ মো. মাসুদ হত্যাসহ ৯ মামলার এজাহারনামীয় আসামি কদমতলী ৫২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও কদমতলী থানা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি মো. রুহুল আমিনকে গ্রেপ্তার করেছে ডিএমপির কদমতলী থানা পুলিশ।
আজ রোববার ভোরে রাজধানীর কদমতলী থানার মুরাদপুর মাদ্রাসা রোড এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
কদমতলী থানার বরাতে ডিএমপির গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগের উপ কমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান জানান, মাসুদ হত্যার ঘটনায় গত ৪ সেপ্টেম্বর স্ত্রী হেনা বেগম কদমতলী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়, গত ১৯ জুলাই বিকেলে কদমতলী থানার মেরাজনগরে প্যারাডাইস প্যালেস নামক নির্মাণাধীন ভবনের সামনের সড়কে অনেক ছাত্র-জনতার সঙ্গে বৈষম্যবিরোধী শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছিলেন ভুক্তভোগী মাসুদ। এসময় আন্দোলনরত ছাত্র-জনতার ওপর আক্রমণ ও এলোপাতাড়ি গুলিবর্ষণ শুরু করে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা। মাসুদ ধারালো অস্ত্রের আঘাতে ও মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়। গুরুতর আহত মাসুদকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২০ জুলাই রাতে মারা যান।
ডিসি তালেবুর রহমান জানান, তদন্তাধীন এ মামলায় গোয়েন্দা তথ্য ও প্রযুক্তির সহায়তায় রোববার ভোরে রুহুল আমিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে যাত্রাবাড়ী ও কদমতলী থানায় দুটি হত্যা মামলাসহ ৯টি মামলা রয়েছে। তার বিরুদ্ধে পরের আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। মামলার সুষ্ঠু তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।










