গত তিন দিনেও এলএনজি ভাসমান টার্মিনালের ত্রুটি মেরামত করা যায়নি। কতদিনে ত্রুটি মেরামত হবে তা এখনও নির্দিষ্ট করে বলতে পারছে না পেট্রোবাংলা। গ্যাস না থাকায় দুর্বিসহ ভোগান্তি নিয়ে দিন পার করতে হচ্ছে গ্রাহকদের।
রাজধানীর মগবাজারের বাসিন্দা লিজা হোসেন জানান, গত কয়েকদিন বাসায় গ্যাস না থাকায় দুর্ভোগ নিয়েই দিন পার করছেন তিনি।
তাছাড়া গ্যাস না থাকায় রাজধানীর অনেক সিএনজি স্টেশনও বন্ধ। দু’য়েকটি সিএনজি স্টেশন খোলা থাকলেও সেখানে দেখা যাচ্ছে লম্বা লাইন।
আবাসিক, বাণিজ্যিক ও শিল্প সব খাতেই স্থবিরতা চলছে গ্যাসের অভাবে। বিকল্পও পাচ্ছেন না অনেকে। গ্যাসের অভাবে ৩৮টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ। সার উৎপাদন ও নেই বললেই চলে। সিএনজি স্টেশন বন্ধ রয়েছে অনেক আগে থেকেই। শিল্প উদ্যোক্তারা রপ্তানি আদেশ পূরণ করা নিয়ে চিন্তিত।
সরকার দেশের গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানিয়েছে জ্বালানি বিভাগ ও পেট্রোবাংলা।
দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় প্রায় প্রতিবছরই একাধিকবার বিকল হচ্ছে বা কারিগরি ত্রুটিতে পড়েছে ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল। আর প্রতিবারই সাধারণ মানুষকে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।







