দেশব্যাপী ইন্টারনেট-সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের প্রিপেইড মিটার গ্রাহকরা। বিকাশ নগদ ও উপায়ের মতো মোবাইল আর্থিক সেবাগুলোর অ্যাপ ব্যবহার করতে পারছেন না গ্রাহকরা। এছাড়া পাড়া-মহল্লার দোকান থেকেও রিচার্জ করতে পারছেন না তারা। সরকারের পক্ষ থেকে বিদ্যুতের ইমার্জেন্সি ব্যালেন্স দেয়ার পরে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়।
গত বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) মধ্যরাত থেকে বন্ধ থাকে ইন্টারনেট। যার ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়ে রাজধানীসহ সারা দেশের বিদ্যুৎ ও গ্যাসের প্রিপেইড গ্রাহকরা।
জানা যায়, রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় বিদ্যুৎ ও গ্যাসের প্রিপেইড মিটার রিচার্জ নিয়ে গত দুই দিন ধরে দিশাহীন ও ধন্দে পড়ে যান গ্রাহকরা। সময় মতো রিচার্জ করতে না পারায় অনেকে বিদ্যুৎহীন ছিল কয়েক ঘণ্টা। এছাড়া হাতের নাগালে রিচার্জ করতে না পারায় ভোগান্তিতে পড়েন বহু মানুষ।
কাস্টমার কেয়ার নিয়ে রয়েছে গ্রাহকদের অভিযোগ। তারা বলেন, কাস্টমার কেয়ারে ফোন করলে তারা এলাকার বিদ্যুৎ অফিসে যোগাযোগ করতে পরামর্শ দেয়। কিন্তু ওই বিদ্যুৎ অফিসের ঠিকানা কোথায় তা অনেক কাস্টমার কেয়ার প্রতিনিধি জানাতে পারেননি। আর গ্রাহকরাও দীর্ঘদিন ধরে ইন্টারনেটের মাধ্যমে বা এলাকার দোকান থেকে বিল দিয়ে আসায় সেই অফিসের খোঁজ রাখেননি। ফলে বিদ্যুৎ অফিসের ঠিকানা পেতে বেগ পোহাতে হচ্ছে গ্রাহকদের।
বিদ্যুৎ ও গ্যাস বিতরণ সংস্থাগুলো থেকে গ্রাহকদের অনুরোধের মাধ্যমে জানানো হয়, নিকটতস্থ বা নির্ধারিত বিদ্যুৎ অফিসে গিয়ে মিটারে ইমারজেন্সি রিচার্জ করতে। অথবা বাড়ির আঙ্গিনায় থাকা গ্যাসের মিটারের বাটন নিদের্শনা অনুযায়ী চেপে ইমার্জেন্সি ব্যালেন্স রিচার্জ করা যাচ্ছে বলেও জানানো হয়।
ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ডিপিডিসি) থেকে বলা হয়েছে, মিটারটি কিপ্যাড হলে গ্রাহকরা ডিপিডিসি কল সেন্টার ১৬১১৬ অথবা সংশ্লিষ্ট এনওসিএসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষে যোগাযোগ করে জরুরি ব্যালেন্সের টোকেন নিতে পারবেন।
আর ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেডের (ডেসকো) ক্ষেত্রে ০০ কিংবা ৮১১ নম্বরে প্রেস করে ইমার্জেন্সি ক্রেডিট নিতে পারবেন গ্রাহকরা।








