সূচি অনুযায়ী আগামী বছরের ৯ ফেব্রুয়ারি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি মাঠে গড়ানোর কথা। আর বাকি তিন মাস। আয়োজক হিসেবে পাকিস্তানও প্রস্তুতি শুরু করেছে। তবে পরিস্থিতি জটিলতার দিকে, ভারত দল পাকিস্তানে খেলতে যাওয়া নিয়ে আপত্তি তোলায়। ভারত টুর্নামেন্ট খেলতে পাকিস্তানে না গেলে ‘হাইব্রিড মডেলে’ টুর্নামেন্ট আয়োজনে রাজি নয় পাকিস্তান। এমন পরিস্থিতিতে আসন্ন আসর নিয়ে বিপাকেই পড়েছে আইসিসি।
অবশ্য এমন জটিলতা প্রসঙ্গে আইসিসি, ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড (বিসিসিআই) এবং পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)- কোনো পক্ষই আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি। তবে দেশ দুটির সংবাদমাধ্যম জানাচ্ছে এমন পরিস্থিতির কথা।
সংবাদ মাধ্যমগুলো বলছে, বিসিসিআই আইসিসিকে চিঠি লিখে জানিয়েছে, তারা পাকিস্তানে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি খেলতে যাবে না। আইসিসি চিঠির কথা জানিয়েছে পিসিবিকে। চিঠি পেয়ে পিসিবি আবার আইসিসির কাছে বিষয়টি নিয়ে ব্যাখ্যা চেয়েছে। আইসিসি আবার পিসিবির চিঠির ভিত্তিতে কিছু বিষয়ের ব্যাখ্যা চেয়েছে বিসিসিআইয়ের কাছে। আপাতত চিঠি চালাচালির মধ্যে ঝুলে আছে আসরের ভাগ্য।
পাকিস্তানের একটি সংবাদমাধ্যম বলছে, আইসিসিকে লেখা চিঠিতে পিসিবি জানতে চেয়েছে, বিসিসিআই কখন আইসিসিকে জানিয়েছে তারা চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি খেলতে পাকিস্তানে দল পাঠাবে না। যদি ভারতের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত এমন হয় তাহলে এর পেছনে কী যুক্তি দেখানো হয়েছে। পাশাপাশি বিসিসিআইয়ের চিঠির জবাবে আইসিসি কী লিখেছে সেটাও জানতে চেয়েছে পিসিবি।
পিসিবির একটি সূত্রে সংবাদমাধ্যমটি বলেছে, আইসিসি থেকে প্রশ্নগুলোর উত্তর পিসিবি পেলে এ বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ নেয়া বা পাকিস্তান সরকারের পরামর্শ নেয়ার কথা ভাববে।
ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমগুলো বলছে, এশিয়া কাপের মতো চ্যাম্পিয়্স ট্রফিও হাইব্রিড মডেলে করতে চায় আইসিসি। পাকিস্তানেই মূল টুর্নামেন্টের ম্যাচগুলো হবে, আর ভারতের ম্যাচগুলো হবে অন্য কোনো দেশে। অন্যথায় পাকিস্তানকে আয়োজক হিসেবে রেখে টুর্নামেন্টটি অন্য কোনো দেশে সরিয়ে নেয়া হতে পারে। সেক্ষেত্রে সাউথ আফ্রিকার নাম রয়েছে।
তবে পিসিবির দাবি, পাকিস্তান সরকার রাজি না হলে আইসিসির পক্ষে এই টুর্নামেন্ট হাইব্রিড মডেলে আয়োজন করা কঠিন। আয়োজক দেশের অনুমতি ছাড়া টুর্নামেন্ট হাইব্রিড মডেলে আয়োজন করা বা অন্য কোথাও সরিয়ে নেয়ার সুযোগ নেই।







