ইউরোপসেরার মঞ্চে আরেকটি মহারণের অপেক্ষা। বায়ার্ন মিউনিখ ও পিএসজি, দুই আক্রমণাত্মক শক্তির দ্বৈরথে রাতে নির্ধারিত হবে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালের টিকিট। প্রথম লেগে ৫-৪ গোলে পিছিয়ে পড়া বায়ার্নের সামনে সমীকরণ স্পষ্ট- ঘরের মাঠে দুই গোল ব্যবধানে জিততে হবে। তবেই মিলবে টিকিট। অন্যদিকে ড্র করলেই টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালে উঠে যাবে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন পিএসজি। দেখে নেয়া যাক দুদলের পরিসংখ্যানের খতিয়ান।
মিউনিখের আলিয়াঞ্জ অ্যারেনায় বুধবার রাত ১টায় বায়ার্নের মুখোমুখি হবে পিএসজি। প্রতিযোগিতার ছয়বারের চ্যাম্পিয়ন বায়ার্ন ও চ্যালেঞ্জ জানানো একবারের শিরোপাধারী ফরাসি ক্লাব পিএসজি।
পিএসজিতে আছে চোটের দুশ্চিন্তা। দারুণ ছন্দে থাকা আশরাফ হাকিমিকে পাচ্ছেন না লুইস এনরিকে। থাই চোটের কারণে কয়েক সপ্তাহের জন্য মাঠের বাইরে মরোক্কান তারকা। বিপরীতে ঘরের মাঠে নামতে চলা বায়ার্নের মূল একাদশে নেই কোন চোট সমস্যা।
চ্যাম্পিয়ন্স লিগে সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সে এগিয়ে বায়ার্ন। এপর্যন্ত দুদলের দেখা হয়েছে ১৬ বার। জয়ের পাল্লা ভারী জার্মান জায়ান্টদের। জার্মান বুন্দেসলিগার ক্লাবটির ৯ জয়ের বিপরীতে ফ্রান্সের লিগ ওয়ানের ক্লাবটির জয় ৭টিতে।
চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ইতিহাসে প্রথম লেগে পিছিয়ে থেকে ১৬ বারের মধ্যে ৪ বার ঘুরে দাঁড়িয়েছে বায়ার্ন। সেমিতে এখনও তারা এমন কীর্তি গড়তে পারেনি।
এ মৌসুমে দুদলই দুর্দান্ত আক্রমণ শক্তি প্রদর্শন করছে। পিএসজি করেছে ৪৩ গোল, বায়ার্নের গোল ৪২টি। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের এক মৌসুমে কোন দলের সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড ৪৫টি।
পিএসজির আক্রমণে বড় ভরসা খভিচা কাভারেস্খেইয়া। চলতি আসরে ১০ গোল ও ৫ অ্যাসিস্ট মিলিয়ে ১৫ গোলের সঙ্গে যুক্ত তিনি। এটি প্যারিসের ক্লাবটির হয়ে এক মৌসুমে রেকর্ড। নকআউট পর্বে তিনি নজর কেড়েছেন ৭ গোল করে। তরুণ তারকা দেজিরে দুয়েও উজ্জ্বল। ২১ বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই নকআউট পর্বে ১০টির বেশি গোল ও অ্যাসিস্টের কীর্তি গড়েছেন তিনি।
অন্যদিকে বায়ার্নের আক্রমণে কেন্দ্রবিন্দু হ্যারি কেন। এ মৌসুমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ১৩ গোল করেছেন ইংলিশ স্ট্রাইকার। টানা ছয় ম্যাচে গোল করার কীর্তিও গড়েছেন।
ইতিহাসের দিকে তাকালে, বায়ার্ন ১২তম বারেরমতো চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালে উঠতে চাচ্ছে। পিএসজি জিতলে তৃতীয়বার ফাইনালে ওঠার নজির গড়বে।








