প্রথম লেগে সান সিরোতে ১-০ গোলে জয়ের পর ফিরতি লেগে নাপোলির মাঠে ড্র করেছে এসি মিলান। দুই লেগ মিলিয়ে ১ গোলে এগিয়ে থেকে ১৬ বছর পর উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে ইতালিয়ান জায়ান্ট ক্লাবটি। সবশেষ ২০০৬-২০০৭ মৌসুমে সেমিতে খেলেছিল মিলান। সে বছর ফাইনালে লিভারপুলকে হারিয়ে জিতেছিল শিরোপাও।
স্তাদিও ডিয়েগো আরমান্দো ম্যারাডোনা স্টেডিয়ামে ১-১ গোলে ড্র হয় নাটকীয় ম্যাচটি। দুই দলেরই পেনাল্টি মিসের রাতে এসি মিলানের হয়ে একমাত্র গোলটি করেছেন অলিভিয়ের জিরুড। নাপোলির গোলটি করেছেন ভিক্টর ওসিমহেন। দুই লেগ মিলিয়ে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে সেমিতে গেল পিউলির শিষ্যরা।
ঘরের মাঠে বল দখলে দাপঠ ছিল নাপোলির। পার্থক্যও ছিল চোখে লাগার মত। আক্রমণেও এগিয়ে ছিল স্বাগতিকরা। শুরু থেকেই ইন্টার মিলানকে চেপে ধরেছিল চলতি মৌসুমে সিরি-আ’র শীর্ষে থাকা ক্লাবটি। একের পর এক আক্রমণে ইন্টার রক্ষণভাগের ঘাম ঝরিয়েছিল খুব।
২২ মিনিটে ফিরতি আক্রমণে পেনাল্টি পায় সফরকারী দল। ডি-বক্সের ভেতর রাফায়েল লেয়াওকে ফেলে দেন মারিও রুই। তবে পেনাল্টি থেকে গোল আদায়ে ব্যর্থ হন ওলিভিয়ের জিরুড। ফরাসি ফরোয়ার্ডকে হতাশ করেন নাপোলি গোলরক্ষক অ্যালেক্স মেরেট।
পেনাল্টিতে গোল আদায়ে ইন্টারকে হতাশ করলেও ৪৩ মিনিটে দলকে এগিয়ে নেন ফরাসি ফরোয়ার্ড। রাফায়েল লেয়াওর পাস থেকে গোল আদায় করেন তিনি। ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় সফরকারী দল।
বিরতির পর শুরুতেই ইন্টারের ডি বক্সে বল নিয়ে ঢুকে পড়েছিলেন কাভারাস্কেইয়া। কিন্তু ব্যর্থ হন গোল আদায়ে। এরপর গোল আদায়ে চেষ্টা করেছিল দুই দলই, তবে কেউই পায়নি জালের দেখা।
৮২ মিনিটে পেনাল্টি পায় নাপোলি। কিন্তু ইন্টার মিলানের মত স্বাগতিকরা ব্যর্থ হয় গোল আদায়ে। কাভারাস্কেইয়ার শট ঠেকিয়ে দেন মিলান গোলরক্ষক। এরপর যোগ করা সময়ে গোল করে দলকে সমতায় ফেরান ভিক্টর ওসিমহেন। ম্যাচ শেষ হয় ১-১ সমতায়। শেষ অবধি বিদায়ের হতাশা নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় নাপোলিকে।







