নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, এই নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের গণতন্ত্রের পুনঃসূচনা হবে। তবে নির্বাচন চলাকালীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপতৎপরতা ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)–এর অপব্যবহার প্রতিরোধে নির্বাচন কমিশনকে গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে।
আজ (২২ নভেম্বর) শনিবার সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে এশিয়ান নেটওয়ার্ক ফর ফ্রি ইলেকশনস (আনফ্রি) আয়োজিত ‘বিল্ডিং ব্রিজ: রিজিওনাল ইলেক্টোরাল অ্যান্ড সিটিজেন অবজারভেশন এক্সচেঞ্জ’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ‘ঐতিহাসিক’ উল্লেখ করেন।
ইসি সানাউল্লাহ জানান, এই নির্বাচনের সাক্ষী হতে এবার রেকর্ড সংখ্যক আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক অংশ নেবেন। অংশীদার সংস্থাগুলোর অনুরোধে স্থানীয় পর্যবেক্ষকদের বয়সসীমাও কমানো হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। তবে তাদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য আরও প্রশিক্ষণ প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন তিনি।
কর্মশালায় থাইল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা ও ফিলিপাইনের নির্বাচন বিশেষজ্ঞরা বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন। তারা বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে সব অংশীজনের (রাজনৈতিক দল, প্রার্থী, পুলিশ, গণমাধ্যম) আস্থা অর্জন জরুরি।
অনলাইনে প্রচারণা চালাতে আগ্রহী প্রার্থী ও রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক করারও প্রস্তাব দেন তারা। উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যে নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু করেছে এবং প্রযুক্তি ব্যবহারসহ নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিতের উদ্যোগ নিয়েছে।








