রাজধানীতে স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক নেতা বিল্লাল হোসেন তালুকদার (৫৭) হত্যার ঘটনায় রমনা থানা যুবদলের সদ্য বরখাস্ত আহ্বায়ক প্রধান অভিযুক্ত দিদারুল ইসলাম বাবুসহ ২০ জনকে অভিযুক্ত করে রমনা মডেল থানায় মামলা করেছেন নিহতের স্ত্রী।
এর আগে হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত থাকার অভিযোগে রিয়াজ ও আলামিন নামে দুই যুবদল নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
জানা যায়, জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল রমনা থানা শাখার আহ্বায়ক ছিলেন বিল্লাল হোসেন তালুকদার। মালিবাগ সোহাগ বাস কাউন্টারে চাঁদাবাজির অভিযোগে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। সোমবার (৮ জুন) রাতে সিদ্ধেশ্বরী আনারকলি মার্কেটের পার্কিং এলাকায় বুকে ছুরি দিয়ে আঘাত করে হত্যা করা হয় তাকে।
স্বজনদের দাবি, রমনা থানা জাতীয়তাবাদী যুবদলের আহ্বায়ক দিদারুল ইসলাম বাবু তাকে ডেকে নিয়ে হত্যা করে। হত্যার উদ্দেশ্যেই বেলালকে বুকে ছুরিকাঘাত করা হয় দাবি তাদের। পরে রাত ৯টা ২০ মিনিটের দিকে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জরুরি বিভাগে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে মৃত ঘোষণা করেন।
হত্যাকাণ্ডের পরপরই দলের সদস্য পদ থেকে বহিষ্কার করা হয় রমনা থানা জাতীয়তাবাদী যুবদলের আহ্বায়ক দিদারুল ইসলাম বাবুকে।
এ ঘটনায় নিহত বিল্লালের স্ত্রী বাদী হয়ে যে ২০ জনকে অভিযুক্ত করে রমনা থানায় হত্যা মামলা করেছেন তাতে প্রধান অভিযুক্ত রমনা থানা যুবদলের সদ্য বহিস্কৃত আহ্বায়ক দিদারুল ইসলাম বাবু। অন্য আসামীদের মধ্যে আছেন যুবদল নেতা রিয়াজুল ইসলাম ও আল আমিন। তাদের দুজনকেই সকালে আটক করে থানায় আনা হয়। তাদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে রমনা থানা পুলিশ।
রমনা অপরাধ বিভাগের ডিসি শেখ জাহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, কারা বিল্লালকে ছুরিকাঘাত করেছে তাদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করা হচ্ছে। খোঁজা হচ্ছে ক্ষমতাসীন দলের অঙ্গ সংগঠনের এক নেতাকে।







