কক্সবাজারে মোটরসাইকেল বাঁচাতে গিয়ে বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়েছে। তবে বাসের ধাক্কা থেকে রক্ষা পেতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পার্শ্ববর্তী খাদে পড়ে মোটরসাইকেল চালক নিহত এবং বাস-ট্রাক মুখোমুখি সংঘর্ষে ১২ জন বাস যাত্রী আহত হয়েছে।
আহত ৫ জনকে মালুমঘাট খ্রিশ্চিয়ান মেমোরিয়াল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে আশংকাজনক অবস্থায় রয়েছে চট্টগ্রামের বোয়ালখালীর পোপাদিয়া ইউনিয়নের মুন্সিমিয়ার ছেলে মুমিনুল হোছেন (২৫), উখিয়ার কুতুপালং ২ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নূর আংকিস (৪০) এবং চকরিয়া উপজেলার হারবাংয়ের আনোয়ার হোসেনের ছেলে মোহাম্মদ জিসান (২৫)। এছাড়া অন্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ফিরে গেছেন। নিহত বাইক চালক মোহাম্মদ রায়হান (১৯) চকরিয়া উপজেলার পূর্ব বড় ভেওলা ইউনিয়নের মো. শাহাবউদ্দিনের ছেলে।
শুক্রবার (৪ আগস্ট) বিকেলে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চকরিয়ার ডুলাহাজারা পাগলিরবিল এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ডুলাহাজারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাসানুল ইসলাম আদর। তিনি বলেন, কক্সবাজার থেকে ছেড়ে আসা যাত্রীবাহি একটি বাস ডুলাহাজারা ইউনিয়নের পাগলিরবিল এলাকায় পৌঁছলে বিপরীত দিক থেকে বেপরোয়া গতিতে আসা একটি মোটর সাইকেলকে ধাক্কা থেকে বাঁচানোর চেষ্টা চালায়। এতে মোটর সাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে খাদে পড়ে চালক আহত হয়। এসময় বাসটির সাথে বিপরীত দিক আসা ট্রাকের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে বাসটির ১২ জন আহত হয়। পরে স্থানীয়রা আহতদের মালুমঘাট খ্রিশ্চিয়ান মেমোরিয়াল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মোটর সাইকেল চালককে মৃত ঘোষণা করেন।
মালুমঘাট হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মাকসুদ আহমদ বলেন, দুর্ঘটনায় কবলিত গাড়ি তিনটি জব্দ করা হয়েছে। নিহত মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ব্যাপারে আইনী ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।







