সিলেট থেকে: আগের ম্যাচে নোয়াখালী এক্সপ্রেসের বিপক্ষে হার দেখেছিল রংপুর রাইডার্স। এবার রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে হারল দলটি। তাওহীদ হৃদয়ের ৫৬ বলে ৯৭ রানের অপরাজিত ইনিংসে বড় সংগ্রহ পেয়েছিল রংপুর। মোহাম্মদ ওয়াসিম ও নাজমুল হোসেন শান্তর ঝড়ো ইনিংসের সামনে নুরুল হাসান সোহানদের টানা দ্বিতীয় হারের স্বাদ পেতে হয়েছে। ৭ উইকেটে জিতে টেবিলে দুইয়ে এখন রাজশাহী।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে হেরে আগে ব্যাটে নামে রংপুর। নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৪ উইকেটে ১৭৮ রান করে তারা। জবাবে ৫ বল হাতে রেখে জয় নিশ্চিত করে রাজশাহী।
আসরে ৭ ম্যাচে রাজশাহীর পঞ্চম জয়। ১০ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলে দুইয়ে তারা। সমান পয়েন্ট নিয়ে রানরেটে এগিয়ে শীর্ষে চট্টগ্রাম রয়্যালস। সমান ম্যাচে ৮ পয়েন্ট নিয়ে তিনে রংপুর। ৮ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট নিয়ে চারে সিলেট টাইটানস।
লক্ষ্যতাড়ায় শুরুটা ভালো হয়নি রাজশাহীর। ১৩ রানে ভাঙে উদ্বোধনী জুটি। ৭ বলে ৩ রান করে ফিরে যান তানজিদ তামিম। দ্বিতীয় উইকেটে নাজমুল হোসেন শান্ত ও মোহাম্মদ ওয়াসিম যোগ করেন ৮২ বলে ১৪২ রান। দলীয় ১৫৫ রানে শান্ত আউট হলে জুটি ভাঙে। ৬ চার ও ৪ ছক্কায় ৪২ বলে ৭৬ রান করে যান তিনি।
রায়ান বুর্লকে সঙ্গী করে জয় নিশ্চিত করেন ওয়াসিম। আরব আমিরাত তারকা ৭ চার ও ৬ ছয়ে ৫৯ বলে ৮৭ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন। বুর্ল করেন ৫ বলে ৭ রান।
রংপুরের হয়ে আকিফ জাভেদ ২ উইকেট নেন। মোস্তাফিজ নেন ১ উইকেট।
আগে রংপুরের হয়ে ওপেনিংয়ে নামেন তাওহীদ হৃদয়। ব্যাটিং পজিশন পরিবর্তন করেই আলো ছড়িয়েছেন। শুরু থেকে আক্রমণাত্মক ছিলেন। উদ্বোধনীতে কাইল মেয়ার্সকে নিয়ে ২৬ রান তোলেন। তৃতীয় ওভারের শেষ বলে মেয়ার্স ৬ বলে ৮ করে আউট হন।
৫৭ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায় রংপুর। লিটন দাস ১৪ বলে ১১ রান করে যান। ৭২ রানে তৃতীয় উইকেট হারায় দলটি। ইফতিখার আহমেদ ফেরেন ১৫ বলে ৮ রান করে।
একপ্রান্ত আগলে রাখা হৃদয় চতুর্থ উইকেটে খুশদিল শাহকে নিয়ে যোগ করেন ৫১ বলে ১০১ রান। দলীয় ১৭৭ রানে খুশদিল আউট হন। ৪ চার ও ৩ ছক্কায় ২৯ বলে ৪৪ রান করেন। নুরুল হাসান সোহানকে নিয়ে ইনিংস শেষ করেন হৃদয়। তার ৫৬ বলে ৯৭ রানের অপরাজিত ইনিংসে ছিল ৮ চার ও ৬ ছক্কার মার।
রাজশাহীর হয়ে একটি করে উইকেট নেন তানজিম সাকিব, রিপন মণ্ডল, জেমস নিশাম ও সন্দীপ লামিচানে।







