চলতি বিপিএলে তামিম ইকবালের মেজাজ হারানো যেন নিয়মিত ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে অ্যালেক্স হেলস, ঢাকা ক্যাপিটালসের বিপক্ষে সাব্বির রহমানের সঙ্গে জড়িয়েছিলেন কথার যুদ্ধে। ফরচুন বরিশাল অধিনায়কের মেজাজ হারানো সেসব কথা স্টাম্প মাইকের সুবাদে পৌঁছে যায় দর্শক পর্যন্ত। সবশেষ চিটাগংয়ের বিপক্ষে সতীর্থ ডেভিড মালানের সঙ্গেও মেজাজ হারিয়েছেন তামিম।
জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে রোববার টসে জিতে স্বাগতিকদের আগে ব্যাটে পাঠিয়েছিল বরিশাল। নির্ধারিত ওভার শেষে ৮ উইকেটে ১২১ রান করে দলটি। জবাবে ১৬.৫ ওভারে জয়ের বন্দরে নোঙর করে বরিশাল।
চিটাগং কিংসের বিপক্ষে এই ম্যাচেও মেজাজ হারাতে দেখা যায় তামিমকে। সতীর্থ মালানের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে রানআউট হয়ে মাঠ ছাড়ার সময় কিছু একটা বলতে থাকেন। ঘটনাটি তামিমের হরদম মেজাজ হারানোকে আবারও আলোচনায় নিয়ে এসেছে।
দিন পার হয়ে গেলেও তামিমের আচরণ নিয়ে চলছে আলোচনা-সমালোচনা। সেটার উত্তর দিলেন টাইগারদের সাবেক ওপেনার। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে করা পোস্টে তামিম লিখেছেন, ‘অনেকেই আমাকে জিজ্ঞেস করছেন, মাঠে ডেভিড মালানের সঙ্গে কিছু হয়েছিল কিনা। এটা নিয়ে নাকি অনেক আলোচনা হচ্ছে। অথচ আমার সঙ্গে মালানের কিছুই হয়নি। মালান তো ওভাবে জবাব দিচ্ছিল প্রতিপক্ষের একজনকে!’
আউটের পর ইংলিশ ব্যাটারের সঙ্গে কী কথা হয়েছে সেটিও বলেছেন তামিম, ‘মাঠে দুই ব্যাটসম্যানের ভুল বোঝাবুঝি হতেই পারে। তাৎক্ষণিকভাবে হতাশা প্রকাশ করাও স্বাভাবিক। আমি রানআউট হওয়ার পরই মালান হাতের ইশারায় ‘সরি’ বলেছে। আমি সেদিকে তাকিয়ে মাঠের বাইরে চলে যাই। তার সঙ্গে কোনো কথাই হয়নি। কাছেই থাকা প্রতিপক্ষের একজন ফিল্ডার তখন মালানকে একটা কথা বলেছে, যা তার ভালো লাগেনি। মালান সেই ফিল্ডারকেই জবাব দিচ্ছিল, তার দিকেই এগিয়ে যাচ্ছিল। অথচ সেটাকেই অনেকে বানিয়ে ফেলেছে, আমার সঙ্গে নাকি মালানের ঝামেলা হয়েছে!’
‘অনেক সময়ই অনেকে টিভিতে দু-একটি দৃশ্য দেখে নানা রকম ধারণা করে ফেলেন। গত কয়েক দিনে আমাকে নিয়েও এরকম হয়েছে। কিন্তু কোনো ঘটনা তো হুট করে হয় না। এটার পেছনেও অনেক ঘটনা থাকে। মাঠে এরকম অনেক কিছুই হয়, যা টিভিতে পুরোপুরি ফুটে ওঠে না এবং সেটা উচিতও নয়।’
‘টিভিতে দু-একটি দৃশ্য দেখেই চূড়ান্ত ধারণা নেওয়া উচিত নয়। যাদের নিয়ে ঘটনা, যারা মাঠে থাকেন, তারা সবকিছু জানেন। আজকের উদাহরণ দিয়েই আবার বলছি, টিভিতে এক-দুই ঝলক দেখেই সিদ্ধান্তে পৌঁছে যাওয়া উচিত নয়।’








