সাগরের ঢেউয়ে ভেসে যাওয়া পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার

সুন্দরবনে বেড়াতে এসে সাগরের ঢেউয়ে ভেসে নিখোঁজ হওয়া পর্যটক মো. রিয়াজ আহমেদের (২৮) মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন পর শনিবার রাতে সুন্দরবনের দুবলার চর এলাকার আলোরকোলের কানার মাথা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে কোস্টগার্ড ও বন বিভাগ।
রিয়াজ আহমেদ ময়মনসিংহের ভালুকা পৌরসভার কাঁঠালী পশ্চিমপাড়ার বাসিন্দা। তার বাবা আবুল বাশার ঢালী।
বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার সাতক্ষীরা রেঞ্জের কদমতলা ফরেস্ট স্টেশন থেকে তিন দিনের ভ্রমণ অনুমতি নিয়ে ‘ইকোট্যুরিজম-২’ নামের কাঠের তৈরি পর্যটকবাহী বোটে সুন্দরবনে যান ১৯ পর্যটক। বোটটি পরিচালনা করেন সাতক্ষীরার ট্রলারমালিক মিজানুর রহমান। পর্যটক দলের সদস্যরা নরসিংদী, ময়মনসিংহ, ঢাকা ও গাজীপুরের বাসিন্দা।
গত শুক্রবার বেলা একটার দিকে শরণখোলা রেঞ্জের দুবলার চরে পৌঁছানোর আগে নতুন জেগে ওঠা একটি চরে বোটটি আটকে যায়। বোটটি সরানোর জন্য মাঝিসহ কয়েক পর্যটক পানিতে নেমে ধাক্কা দেওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় সাগরের বড় ঢেউয়ে চার পর্যটক ভেসে যান। তাদের মধ্যে তিনজন ফিরে আসতে সক্ষম হলেও নিখোঁজ হন রিয়াজ।
ঘটনার পরপরই স্থানীয় জেলে, কোস্টগার্ড ও বন বিভাগের সদস্যরা রিয়াজের সন্ধানে তল্লাশি শুরু করেন। পরে তার সফরসঙ্গীরাও উদ্ধারকাজে যোগ দেন। দুই দিন ধরে সাগর ও আশপাশের এলাকায় তল্লাশি চালানোর পর গতকাল শনিবার রাত ১০টার দিকে নিখোঁজ হওয়ার স্থান থেকে প্রায় দেড় কিলোমিটার দূরে আলোর কোলের কানার মাথা এলাকায় তার মরদেহ পাওয়া যায়।
বন বিভাগের সাতক্ষীরা রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. শাহিনুর ইসলাম বলেন, বন বিভাগের শরণখোলা অঞ্চলের সহকারী বন সংরক্ষকের (এসিএফ) মাধ্যমে তারা মরদেহ উদ্ধারের খবর পান। পরে কোস্টগার্ড ও শরণখোলা নৌ থানার পুলিশের একটি দলের উপস্থিতিতে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।






