আকরামুজ্জামান: দীর্ঘ ১২ বছর পর অনুষ্ঠিত হল বেনাপোল পৌরসভা নির্বাচন। নির্বাচেনে ১৩, ২৬৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন নৌকা প্রতীকের মনোনীত মেয়রপ্রার্থী নাসির উদ্দীন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মফিজুর রহমান সজন মোবাইল প্রতীক পেয়েছেন ৩,৮২৫ ভোট।
মোট ৪৭ জন কাউন্সিলর নির্বাচনে অংশগ্রহন করেছেন। সাদিপুর ১ নং ওয়ার্ডে সুলতান আহমেদ বাবু, নামাজগ্রাম ২ নং ওয়ার্ডে শরীফ উদ্দিন, বেনাপোল ৩ নং ওয়ার্ডে মিজানুর রহমান, কাগজপুকুর ৪ নং ওয়ার্ডে শাহীনুর রহমান শাহীন, দিঘীড়পাড় ৫নং ওয়ার্ডে আজিমউদ্দিন গাজী, ভবেরবেড় ৬ নং ওয়ার্ডে আসাদুজ্জামান, গাজীপুর ৭ নং ওয়ার্ডে মজনুর রহমান, ছোট আচড়া ৮ নং ওয়ার্ডে তাজিম উদ্দিন, বড় আচড়া ৯ নং ওয়ার্ডে কামাল হোসেন নির্বাচিত হয়েছেন। সংরক্ষিত ৩টি মহিলা আসনে কামরুন্নার আন্না খাতুন, জুলেখা বেগম ও মর্জিনা খাতুন মিম নির্বাচিত হয়েছেন।
যশোর জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আনিছুর রহমান বলেন , মোট ৫৭.৯১ শতাংশ ভোট পড়েছে।
জানা যায়, সোমবার ১৭ জুলাই সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়ে বিকাল ৪টায় পর্যন্ত ১২টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল সন্তোষজনক।
বেনাপোল পৌরসভায় মোট ভোটার ৩০ হাজার ৩৮৭ জন। পুরুষ ভোটার ১৫ হাজার ১৬২ ও মহিলা ভোটার ১৫ হাজার ২২৫ জন।
বেনাপোল পৌর নির্বাচনের মোবাইল প্রতীকের স্বতন্ত্র পরাজিত মেয়র প্রার্থী মফিজুর রহমান সজন অভিযোগ করে বলেন, সন্ত্রাসীরা বাইরের এলাকা থেকে পৌরসভা এসে মহড়া দিচ্ছে, তারা ভীতির সঞ্চার করেছে। কেন্দ্রগুলো থেকে আমার পোলিং এজেন্টদের বের করে দেয়া হয়েছে। ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে আসতে বাধা দেয়া হয়েছে।
বিজয়ীপ্রার্থী নাসির উদ্দিন বলেন, অভিযোগ স্বতন্ত্রপ্রার্থীর নির্বাচনী অপকৌশল। আমার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নির্বাচনকে বিতর্কিত করার জন্য অপপ্রচার চালাচ্ছে। আওয়ামী লীগের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে পৌরবাসী আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছেন।








