বিএনপি কোন রাজনৈতিক দল না, তারা একটা সন্ত্রাসী দল বলে অভিযোগ করেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন: বিএনপির সন্ত্রাসী দল আর জামায়াত যুদ্ধাপরাধী দল। এই যুদ্ধাপরাধী-সন্ত্রাসীদের হাত থেকে দেশকে মুক্ত রাখতে হবে। দেশে তাহলে উন্নয়নের ধারা অব্যহত থাকবে।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে তেজগাঁওয়ের আওয়ামী লীগ কার্যালয় থেকে ছয় জেলার ভার্চুয়াল নির্বাচনী জনসভায় যোগ দিয়ে এসব কথা বলে তিনি।
শেখ হাসিনা বলেন: উন্নয়নের ধারা তখনই অব্যহত থাকবে যখন নির্বাচনটা সুষ্ঠ হবে। এবং নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ তাদের মনমতো প্রার্থী বেছে নেবে। আমার আবেদন সকলের কাছে গণতন্ত্রের ধারাটা অব্যহত রাখতে হবে উন্নয়নের ধারাটা অব্যহত রাখতে হবে। উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে যেনো আমরা আরও উন্নত সমৃদ্ধ করতে পারি। সেভাবেই আমাদের দেশকে গড়ে তুলতে হবে।
আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন: ২০১৩-১৪ সালে বিএনপি যে অগ্নিসন্ত্রাস করেছিলো তারা আবারও সেই ভয়ঙ্কররূপ নিয়ে নেমেছে। আপনারা দেখেছেন মাত্র কয়েকদিন আগে রেলে আগুন দিলো, ফিসপ্লেট খুলে ফেললো। কোন মানুষের মধ্যে মনুষত্ব্য বোধ থাকলে এভাবে মানুষ পুড়িয়ে মারতে পারে না।
বিএনপির নেতা কে এমন প্রশ্ন করে একাদশ জাতীয় সংসদের সংসদ নেতা বলেন: বিএনপির নেতাকে সেটাই প্রশ্ন। দুটোই তো সাজা প্রাপ্ত। এতিমের টাকা আত্মসাৎ ও বিভিন্ন দুর্নীতির কারণে খালেদা জিয়া সাজা প্রাপ্ত আসামী।তারপরও তার শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করে তার বোন-ভাই এসে যখন রিকোয়েস্ট করেছে তখন তার সাজা স্থগিত করে বাসায় থাকতে দিয়েছি। যে খালেদা জিয়া-তারেক জিয়া আমাকে গ্রেনেড হামলা-গুলি করে মারতে চেয়েছিলো তার জন্য আমরা এ মানবিকতাটুকু দেখিয়েছি।
এসময় তিনি তারেক জিয়ার সমালোচনা করে বলেন: খালেদা জিয়া আর তার ছেলে তারেক জিয়া ২০০১ সাল থেকে হাওয়া ভবনের নামে দুর্নীতির আখড়া খুলে দুর্নীতি, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, হত্যা করেছে। আর ২০০৭ সালে ইমার্জেন্সি এলে নাকে খত গিয়ে মুচলেকা দিয়ে আর কোন দিন রাজনীতি করবে না বলে বিদেশ চলে গেলো। আর এখন বিদেশে বসে হুকুম জারি করছে পুড়িয়ে পুড়িয়ে মানুষ মারার। আর বিএনপির নেতা-কর্মী যারা আগুন দিয়ে মানুষ পোড়ায়- তাদের বলবো, আপনারা যারা আগুন দিয়ে মানুষ পোড়াচ্ছেন; পাপের ভাগিদার আপনারাই হবেন। ওই তারেক জিয়ার কিছুই হবে না। ওতো ওখানে জুয়া খেলে ভালোই আছে।
বক্তব্যের পর তিনি পর্যায়ক্রমে খুলনা বিভাগের কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ ও সাতক্ষীরা, বরিশাল বিভাগের বরগুনা জেলা, ময়মনসিংহ বিভাগের নেত্রকোণা জেলা এবং চট্টগ্রাম বিভাগের রাঙ্গামাটি জেলার নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য রাখছেন।







