যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্ পরশ বলেছেন, বিএনপি নির্বাচনকে ভয় পায়, তাই তারা বিদেশীদের কাছে ধর্ণা দিচ্ছে। যার ফলে যে ভিসা রেস্ট্রেকশন তাতে তাদেরকেই ঢুকিয়ে দিয়েছে। তাতে তাদের লাভ হল কি। কিছুই না। এখন তারা পদযাত্রার নামে হাতে হারিকেন নিয়ে পথে পথে ঘুরছে।
মঙ্গলবার ১৩ জুন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে ও স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে আওয়ামী যুবলীগ, ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের যৌথ আয়োজনে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শান্তি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
পরশ বলেন, সম্প্রতি বিএনপি বিভিন্ন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে নিজেদের নেতা-কর্মীদের সাংগঠনিক নিষেধাজ্ঞা দিচ্ছে। মেয়র এবং কাউন্সিলর পদে নির্বাচনে অংশগ্রহণ থেকে তাদেরকে বিরত রাখার জন্য এবং নিরুৎসাহিত করার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করছে কিন্তু লাভ হচ্ছে না। নিষেধাজ্ঞা দিয়েও লাভ হচ্ছে না। একাধারে চিঠি দিচ্ছে, আজীবন বহিষ্কার করছে। এতে বোঝা যায় তাদের মধ্যে বিভক্তি। কারণ অধিকাংশ বিএনপি নেতারাই নির্বাচনমুখী। বিএনপিরই একটা বিরাট অংশ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে চায়।
এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো. মাইনুল হোসেন খান নিখিল। সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগর যুবলীগ উত্তরের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জাকির হোসেন বাবুল। সঞ্চালনা করেন- ঢাকা মহানগর যুবলীগ দক্ষিণের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এইচ এম রেজাউল করিম রেজা।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আলহাজ্ব মো. মাইনুল হোসেন খান নিখিল বলেন, বিএনপি-জামাত সারা বাংলাদেশে আন্দোলনের নামে মানুষের জানমাল নিয়ে ছিনিমিনি খেলছেন। তারা বঙ্গবন্ধুকন্যাকে হত্যা করার হুমকি দিচ্ছেন। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখল করার হুমকি দিচ্ছে, যেখানে বাংলাদেশের মানুষ তাকিয়ে আছে বঙ্গবন্ধুকন্যার দিকে। বরিশালের মানুষ ভোট দিয়ে প্রমাণ করেছে বঙ্গবন্ধুকন্যা বিহীন, নৌকাবিহীন বরিশালের মাটিতে কোন প্রতীকের জায়গা নেই।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন- যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাড. মামুনুর রশীদ, ডা. খালেদ শওকত আলী, মো. রফিকুল ইসলাম, মো. হাবিবুর রহমান পবন, মো. এনামুল হক খান, ইঞ্জিনিয়ার মৃনাল কান্তি জোদ্দার, মো. জসিম মাতুব্বর, মো. আনোয়ার হোসেন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক বিশ্বাস মুতিউর রহমান বাদশা, মুহাম্মদ বদিউল আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সাইফুর রহমান সোহাগ, জহির উদ্দিন খসরু, মো. সোহেল পারভেজ, মশিউর রহমান চপল, অ্যাড. ড. শামীম আল সাইফুল সোহাগ, প্রচার সম্পাদক জয়দেব নন্দী, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক মো. সাদ্দাম হোসেন পাভেল, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সম্পাদক মো. শামছুল আলম অনিক, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা সম্পাদক ডা. ফরিদ রায়হান, পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মো. হারিছ মিয়া শেখ সাগর, মহিলা সম্পাদক অ্যাড. মুক্তা আক্তার, উপ-দপ্তর সম্পাদক মো. দেলোয়ার হোসেন শাহজাদা, উপ-ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক মো. আলতাফ হোসেন, উপ-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক মো. রাশেদুল হাসান সুপ্ত, উপ-তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সম্পাদক এন আই আহমেদ সৈকত, উপ-স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা সম্পাদক ডা. মাহফুজার রহমান উজ্জ্বল, উপ-পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক সামছুল ইসলাম পাটোয়ারী, উপ-কৃষি ও সমাবয় বিষয়ক সম্পাদক মোল্লা রওশন জামির রানা, উপ-ধর্ম সম্পাদক হরেকৃষ্ণ বৈদ্যসহ কেন্দ্রীয়, মহানগর ও বিভিন্ন ওয়ার্ড যুবলীগের নেতৃবৃন্দ।







