এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
শেষপর্যন্ত বিগত সরকারের ক্রীড়ানীতি নির্ধারকদের অনুমোদিত গঠনতন্ত্র অনুসরণ করেই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালকমণ্ডলীর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গঠনতন্ত্রে কিছু অগণতান্ত্রিক ধারা বাতিলের প্রতিশ্রুতি পূরণের ব্যর্থতা আর অসহযোগিতার কারণে এবারও বজায় থাকল ঢাকার ক্লাবগুলো এবং সরকার নিয়ন্ত্রিত জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের আধিপত্য।
২০১৭ সালে বিসিবিতে অনুমোদিত হয় সংগঠনের গঠনতন্ত্রের জন্য কিছু বিতর্কিত বৈষম্যমূলক ধারা। ধারা অনুযায়ী ২৫ সদস্যের পরিচালকমণ্ডলীতে ক্যাটাগরি-১এ ৬৩ জেলা থেকে নির্বাচিত পরিচালকের সংখ্যা ১০ হলেও ক্যাটাগরি-২তে ঢাকা মহানগরীর ক্লাব প্রতিনিধির কোটায় পরিচালক হবেন ১২ জন। সরকার নিয়ন্ত্রিত প্রতিষ্ঠান জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ থেকে মনোনয়ন বোর্ডে যুক্ত হবেন আরও দুই পরিচালক।
আর ক্যাটাগরি-৩ অনুযায়ী নিযুক্ত হবেন ১ জন। বিকেন্দ্রীকরণের বদলে এই কেন্দ্রীকরণ নিয়ে সমালোচনার মুখে ২০২৪-এর অক্টোবরে গঠনতন্ত্র সংস্কারে গঠিত হয় পাঁচ সদস্যের কমিটি। সেই কমিটির কার্যক্রম স্থগিত রয়েছে।
ঢাকার ক্লাবগুলোর আধিপত্যের পক্ষে যুক্তি দেখিয়েছেন অনেকে। তবে বর্তমান ক্ষমতাসীনদের প্রতিপক্ষ সদ্য শেষ হওয়া নির্বাচনের বৈধতা নিয়ে সোচ্চার।
আইসিসির অন্য সদস্য রাষ্ট্রের ক্রিকেট বোর্ডের তুলনায় নীতি-নির্ধারকদের ভিড়ে বিসিবি ভারাক্রান্ত। বিপিএলের ম্যাচ ফিক্সিংসহ অন্যান্য বিষয়ে সুপারিশের জন্য গঠিত তিন সদস্যের পরামর্শক কমিটি চলতি মাসের শেষ সপ্তাহে যে সুপারিশ উপস্থাপন করবে, তাতে গঠনতন্ত্রের সংস্কার বিষয়ে থাকতে পারে একাধিক সুপারিশমালা।







