বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের ১১তম আসরে খেলোয়াড়দের বেতন পরিশোধ নিয়ে নানা কাহিনী ঘটেছে। সমস্যার সমধানে নতুন পদ্ধতি প্রয়োগ করতে চলেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বিপিএলের টিকিট বিক্রির আয় থেকে ভাগ পাচ্ছে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো। বিপিএলের গভর্নিং কাউন্সিলের সভায় সিদ্ধান্তটি হয়েছে।
লাভের অংশ পাওয়ার জন্য শর্ত জুড়ে দেবে বিসিবি। লাভের অংশ পেতে খেলোয়াড়দের পাওনা মিটিয়ে দেয়ার বিষয়টি দেখা হবে আগে। যেসব দল নির্ধারিত সময়ের মধ্যে খেলোয়াড়দের বকেয়া পরিশোধে দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখাতে পেরেছে, তাদের জন্য এবার ঈদুল আযহার আগেই বরাদ্দ দেয়া হবে টিকিট বিক্রির রাজস্ব থেকে একটি অংশ।
প্রাথমিক বরাদ্দের পরিমাণ হবে প্লে-অফে খেলা চারটি দল পাবে ৫৫ লাখ টাকা। অন্য তিনটি দল পাবে ৪৫ লাখ টাকা। এ অর্থ পুরোপুরি পাওয়ার জন্য ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর অবশ্যই সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড়দের থেকে প্রাপ্ত অর্থের লিখিত স্বীকৃতি জমা দিতে হবে।
বিসিবি বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘প্রথমবারের মতো বিসিবি টিকিট বিক্রি থেকে প্রাপ্ত রাজস্ব বিপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর মধ্যে ভাগ করবে। ঈদুল আযহার আগে নির্ধারিত এই অর্থ বিতরণ সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড়দের কাছ থেকে প্রাপ্ত অর্থের স্বীকৃতি যাচাইয়ের উপর শর্তাধীন থাকবে।’
প্রতিটি ফ্র্যাঞ্চাইজির জন্য চূড়ান্ত বিতরণের পরিমাণ আনুপাতিকভাবে নির্ধারিত হবে। গভর্নিং কাউন্সিল বারবার আনুষ্ঠানিক নোটিশ দেয়ার পরও যে ফ্র্যাঞ্চাইজি টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।








