সারাদেশে একসাথে অনুষ্ঠিত গুচ্ছভুক্ত দেশের ২২টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক প্রথম বর্ষের বিজ্ঞান শাখার শিক্ষার্থীদের ‘এ’ ইউনিটের সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। পরীক্ষায় সর্বমোট পাশের হার ৪৩ দশমিক ৩৫ শতাংশ।
মঙ্গলবার ৬ জুন রাতে ফলাফল প্রকাশের পর গুচ্ছ ভর্তি কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক এবং জিএসটি বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা ২০২২-২৩ এর টেকনিক্যাল সাব কমিটির আহ্বায়ক ও চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নাছিম আখতার এসব তথ্য জানিয়েছেন।
এরই মধ্যে সংশ্লিষ্ট ওয়েবাসাইটে ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করে ফলাফল দেখতে পারবেন।
উপাচার্য অধ্যাপক ইমদাদুল হক জানান, ‘এ’ ইউনিটের পরীক্ষায় অংশগ্রহণের আবেদন করেছিলেন এক লাখ ৬৬ হাজার ৯৩৩ জন। পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে এক লাখ ৫৭ হাজার ৬২৯ জন। পরীক্ষায় পাস নম্বর ৩০ ও এর বেশি পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৬৮ হাজার ৩২২ জন। যা মোট পরীক্ষার্থীর ৪৩ দশমিক ৩৫ শতাংশ। ৩০ নম্বরের কম পেয়ে অনুত্তীর্ণ হয়েছেন ৮৯ হাজার ২১৯ জন। যা মোট পরীক্ষার্থীর ৫৬ দশমিক ৬০ শতাংশ।
তিনি আরও জানান, ‘এ’ ইউনিটের পরীক্ষায় ৮৬.৫০ নম্বর পেয়ে প্রথম হয়েছেন শাহরিয়ার আলম পাটোয়ারী। তিনি সিলেটের স্কলারহোমের শিক্ষার্থী। তার পরীক্ষার কেন্দ্র ছিল শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।
ভর্তি পরীক্ষায় ৮৮ জনের খাতা বাতিল হয়েছ। যা মোট পরীক্ষার্থীর ০.০৫ শতাংশ। এদের মধ্যে পাঁচজন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার, ভুল রোল নম্বর লিখায় ২৯ জনের খাতা বাতিল, ডুপ্লিকেট রোল লিখায় ১১ জনের খাতা বাতিল ও সেট নম্বর ভুল লিখায় ৪৩ জনের খাতা মূল্যায়ন করা হয়নি বলেও জানান অধ্যাপক ইমদাদুল হক।
উপাচার্য অধ্যাপক নাছিম আখতার জানান, ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৮৫ নম্বরের উপরে পেয়েছেন মাত্র একজন। ৮০ নম্বরের উপরে পেয়েছেন পাঁচজন, ৭৫ নম্বরের উপরে পেয়েছেন ৪০ জন, ৭০ নম্বরের উপরে পেয়েছেন ৫৬১ জন, ৬৫ নম্বরের উপরে পেয়েছেন এক হাজার ৪৭৭, ৬০ নম্বরের উপরে পেয়েছেন তিন হাজার ৭২৯, ৫৫ নম্বরের উপরে পেয়েছেন সাত হাজার ৯১০, ৫০ নম্বরের উপরে পেয়েছেন ১৪ হাজার ৬৭১ জন শিক্ষার্থী। এবার সর্বনিম্ন নম্বর মাইনাস ১৩ দশমিক ২৫।
এর আগে শনিবার দুপুর ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত দেশের ১৯টি কেন্দ্রে একযোগে এ ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। বিজ্ঞান ইউনিটে ৯ হাজার ৮৭৫টি আসনের বিপরীতে সারাদেশে মোট পরিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল এক লাখ ৬৬ হাজার ৯৩৩ পরীক্ষার্থী।








