বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস (বিএবি) এর সভাপতি এবং ঢাকা ব্যাংকের চেয়ারম্যান আব্দুল হাই সরকার বলেছেন, একটি ব্যাংক চালাতে ডিপোজিটারদের আস্থা খুব দরকার। একবার ডিপোজিটারদের আস্থা চলে গেলে তা আবারও ফিরিয়ে আনা খুব কঠিন ব্যাপার। এর জন্য ব্যাংকগুলোকে কাজ করতে হবে।
সাম্প্রতিক বিষয় নিয়ে চ্যানেল আই’র বিশেষ অনুষ্ঠান ‘মেট্রোসেম টু দ্য পয়েন্ট’ এ দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই কথা বলেন।
বিএবি’র দায়িত্ব নেয়ার পর কী কী কাজ করেছেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা ফাইনান্সিয়্যাল বা লজিস্টিক কোন সাপোর্ট তো দিতে পারব না। আমরা পরামর্শ দিতে পারব। কোন ব্যাংক যে আমাদের ওপর নির্ভর করে দাঁড়িয়ে আছে তা কিন্তু না। তবে আমরা বিভিন্ন পর্যায় বিভিন্ন ভাবে সাপোর্ট দিচ্ছি ।
তিনি আরও বলেন, সরকারও সাপোর্ট দিয়ে যাচ্ছে। আমরা এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক থেকে ১ বিলিয়ন ডলার পাব। ওইটা বণ্টন করবে বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে তারা শর্ত দিয়েছে যে, যারা ভালো ব্যাংক তাদের এই টাকাটা দিতে। আব্দুল হাই বলেন, ভালো ব্যাংকগুলোর থেকে যারা খুড়িয়ে চলেছে তাদের টাকাটা বেশি প্রয়োজন। কারণ আমাদের ল্যান্ডিং খরচ কমাতে হবে। তা না হলে শিল্পায়ন হবে না, বিনিয়োগও আসবে না।
বিনিয়োগকারীদের করণীয় সম্পর্কে তিনি বলেন, যারা বাইরে থেকে আসবে তারা প্রথমে দেখবে লোকাল বিনিয়োগকারীরা কতটা ভালো আছে। তারপর চিন্তা করবে এদেশে বিনিয়োগ করা যায় কিনা।
আমেরিকার বর্তমানে শুল্কনীতি আমাদের ওপর পজেটিভ ইমপ্যাক্ট ফেলবে বলেও মনে করেন আব্দুল হাই। তিনি বলেন, ইইউ, কানাডা, মেক্সিকো যেসব পণ্য আমেরিকায় তৈরি করত তা যদি আমাদের এখানে করে তাহলে অনেক কম খরচ হবে। বেসরকারি ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণ নিয়ে তিনি বলেন, খেলাপির কিছু ক্যাটাগরি আছে। কেউ আছে ইচ্ছাকৃত আর কিছু আছে অনিচ্ছাকৃত। আর আমাদের ৮০ শতাংশই অনিচ্ছাকৃত কারণে।








