গাজায় চলমান ইসরায়েলি আগ্রাসন ও কাতারে হামাস নেতাদের ওপর হামলার পরিপ্রেক্ষিতে কাতারের রাজধানী দোহায় শুরু হয়েছে আরব-ইসলামিক দেশগুলোর বিশেষ সম্মেলন। এই সম্মেলনে অংশ নিয়েছে বাংলাদেশ।
রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) সম্মেলনের অংশ হিসেবে পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের প্রস্তুতিমূলক বৈঠকে অংশ নিয়েছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন। বৈঠকে অংশ নেওয়া বিভিন্ন আরব ও মুসলিম দেশের প্রতিনিধিরা কাতারে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় হামাস নেতাদের হত্যার ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান।
সম্মেলনে গাজার মানবিক বিপর্যয় এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা চলে। সম্মেলনের উদ্বোধনী বক্তব্যে কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি বলেন, ইসরায়েলের বর্বর হামলার বিরুদ্ধে কাতারের অবস্থান স্পষ্ট। গাজা ও কাতারে এ ধরনের আগ্রাসন আরব বিশ্বের জন্য অগ্রহণযোগ্য।
তিনি আরও বলেন, কাতার যে কোনো আইনি পদক্ষেপ নিলে, তা আরব দেশগুলো সমর্থন করবে। ইসরায়েলের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নিতে আরব ও মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে ঐক্য দরকার।
এদিকে সম্মেলনে অংশ নিয়ে ইরাকের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ শিয়া আল-সুদানি বলেন, গাজা ও কাতারে ইসরায়েল যেভাবে নিরীহ মানুষ ও নেতাদের ওপর হামলা চালিয়েছে, তা সরাসরি সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন। এর জবাব দিতে মুসলিম দেশগুলোকে এখনই একটি সামরিক জোট গঠন করতে হবে।
এই সম্মেলন শুধু মানবিক উদ্বেগ নয়, বরং রাজনৈতিক ও কৌশলগত প্রতিক্রিয়ার দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। বিশেষ করে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ পদক্ষেপের আলোচনাগুলো মধ্যপ্রাচ্য ও মুসলিম বিশ্বের পরবর্তী নীতিনির্ধারণে প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।







