২০২২ সালে কাঠমান্ডুর দশরথ স্টেডিয়ামে নেপালকে ৩-১ গোলে হারিয়ে প্রথমবার সাফ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন বাংলাদেশের মেয়েরা। এবারের আসরে ফাইনালে সেই নেপালই প্রতিপক্ষ লাল-সবুজের দলের। একই ভেন্যুতে একই প্রতিপক্ষকে হারিয়ে শিরোপা ধরে রাখতে প্রস্তুত সাবিনা খাতুনরা।
দশরথ স্টেডিয়ামে বুধবার মুকুট ধরে রাখার অভিযানে স্বাগতিক নেপালের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা পৌনে ৭টায় শুরু মাঠের লড়াই।
সাউথ এশিয়ার মেয়েদের ফুটবলে শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট প্রথমবার জিততে মরিয়া নেপালও, অন্যদিকে টানা দ্বিতীয়বার ট্রফিটির স্বাদ পেতে উন্মুখ বাংলাদেশ।
মহারণের আগেরদিন সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ অধিনায়ক সাবিনা জানিয়েছেন এমন। নেপালকে হারানোটা চ্যালেঞ্জিং হলেও নিজেদের সেরাটাই দিতে চান। বলেছেন, ‘এবার অনেক চ্যালেঞ্জিং হবে। স্বাগতিক নেপালও চাইবে শিরোপা জিততে। আমরা নিজেদের সেরাটা দিয়ে পুনরায় চ্যাম্পিয়ন হতে চাই।’
‘আমাদের অনেক খেলোয়াড় তরুণ। তাদের জন্য এটি চাপ। দর্শক স্বাগতিক দলের বেশি হয় এবং চাপটা স্বাগতিকদেরই বেশি হয়। তবে ব্যক্তিগতভাবে খেলায় দর্শক থাকলে আমি উপভোগ করি। গতবারের দলটি বেশি অভিজ্ঞ ছিল। তবে আমি দুই দলকেই সমানভাবে এগিয়ে রাখব। গতবার সবাই জান দিয়ে খেলেছে। এবারও সবাই সবার সেরাটা দেয়ার চেষ্টা করছে।‘
টুর্নামেন্টের মাঝে বাংলাদেশ নারী দলের অভ্যন্তরীণ সমস্যার কথা সামনে এসেছে। কোচ-খেলোয়াড় দ্বন্দ্ব ওপেন সিক্রেট এখন। বর্তমান কোচ পিটার বাটলার সাবেক কোচ গোলাম রব্বানী ছোটনকে ইঙ্গিত করে মন্তব্য করেছেন। ফাইনালের আগে সাবিনার কাছেও জানতে চাওয়া হয়েছিল সে প্রসঙ্গে। বাংলাদেশ অধিনায়ক জানিয়েছেন সবকিছু বাইরে রেখে খেলায় মনোযোগ দেয়ার কথা।
‘দলের সবার ফোকাস খেলায়। ব্যক্তিগতভাবে চেষ্টা করি যা-ই কিছু হোক না কেনো, গেমে ফোকাস থাকতে। মেয়েরা যা কিছুর মধ্য দিয়ে খেলছে এজন্য কৃতজ্ঞ। মাঠে কোনো ঘাটতি হয়নি।’








