শেষ ওয়ানডেতে জয়ের আশায় বুক বেধেছিল মেহেদী হাসান মিরাজের বাংলাদেশ। ৩২১ রানের বড় সংগ্রহের পর একশর আগেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের ৪ উইকেট তুলে পথটা সহজ করে দিয়েছিলেন বোলাররা। কিন্তু পরের গল্পটা বড্ড হতাশার। কার্টির ৯৫ রানের ইনিংস ও অভিষেকে আমির জাঙ্গোর ইতিহাসগড়া সেঞ্চুরিতে উড়ে গেছে বাংলাদেশ। ২৪ বল হাতে রেখে ৬ উইকেট হারিয়ে ৩২২ রান তাড়া করে জিতেছে ক্যারিবীয়রা। সেন্ট কিটসে এত রান তাড়া করে জয়ের কীর্তি আগে ছিল না স্বাগতিকদের। তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ৩-০তে বাংলাদেশকে হারাল তারা। ৮৩ বলে ১০৪ রানে অপরাজিত থাকেন জাঙ্গো। গুডাকেশ মোতি ৩১ বলে ৪৪ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে শেষটা করেন দ্রুত। উইন্ডিজ তুলে নেয় ৪ উইকেটের অসাধারণ জয়।
৩.১৫
অভিষেকে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড
মাত্র ৭৯ বলে সেঞ্চুরি করে রেকর্ড গড়লেন আমির জাঙ্গো। অভিষেকে দ্রুততম সেঞ্চুরি। আগের দ্রুততম সেঞ্চুরি ছিল রেজা হেনরিক্সের ৮৯ বলে।
২.৩৫
দুর্দান্ত ক্যাচে চেজকে ফেরালেন রিশাদ
রিশাদ হোসেনের ছোঁড়া লো ফুলটসকে সোজা ব্যাটে ছয় মারতে চেয়েছিলেন রস্টন চেজ। বল নিচের দিকে নামতে থাকায় টাইমিংয়ে গড়বড় হয়ে বল যায় বোলারের দিকে। লাফিয়ে হাতে জমান টাইগার লেগ স্পিনার।
২.৩২
৯৫ রানে কার্টিকে ফেরালেন রিশাদ
সেঞ্চুরির খুব কাছে থেকে ফিরে এলেন কার্টি। বিপদের সময় হাল ধরা ইনিংসটি ৫ রানের জন্য পেল না পূর্ণতা। ব্যক্তিগত ৯৫ রানে লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেনের বলে বিলিয়ে এলেন উইকেট। ক্যাচ দিলেন সৌম্য সরকারের হাতে। ৮৮ বলে ১০টি চার ও ২টি ছক্কায় সাজান ইনিংস।
২.০৫
শতরানের জুটিতে ক্যারিবীয়দের পাল্টা প্রতিরোধ
৮৬ রানে ৪ উইকেট তুলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ বাংলাদেশ নিলেও পঞ্চম উইকেট জুটির প্রতিরোধ লড়াই জমিয়ে তুলেছে। কার্টি ও জাঙ্গো গড়েছেন ১০০ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি। জাঙ্গো ফিফটি ও কার্টি সেঞ্চুরির পথে রয়েছেন।
১.০৫
রাদারফোর্ডকে ফেরালেন তাসকিন
শর্ট বলে পুল করতে গিয়ে মিড উইকেটে তানজিদ তামিমের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরলেন রাদারফোর্ড। ৩৩ বলে ৩০ রানের ইনিংস খেলে আউট হন। ৮৬ রানে চতুর্থ উইকেটের পতন ঘটল ওয়েস্ট ইন্ডিজের।
১২.৪০
খেলা শুরু
বৃষ্টি থেমেছে দ্রুতই। মিলেছে রোদের দেখাও। বোলিং আক্রমণে এসেছেন তাসকিন আহমেদ।
১২.১৯
বৃষ্টির হানায় খেলা বন্ধ
৩২২ রানের বিশাল লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নামা ওয়েষ্ট ইন্ডিজ ইনিংসের ৩ উইকেট পতনের পর বৃষ্টিতে খেলা বন্ধ রয়েছে। ৭.৪ ওভারে ক্যারিবীয়রা তুলেছে ৪৯ রান।
১২.০৫
৫ ওভারে ৩ উইকেট নেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের
দুই ওপেনারের পর ওয়েস্ট ইন্ডিজ অধিনায়ক শেই হোপকেও সাজঘরে ফেরানো গেছে দ্রুত। ইনিংসের পঞ্চম ওভারে হাসান মাহমুদের বলে প্রথম স্লিপে সৌম্য সরকার দ্রুতগতিতে আসা বল দারুণভাবে তালুবন্দী করেন। ৬ বলে ৩ রান করে ফিরেছেন হোপ। ৩১ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে রয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
১২.০০
নাসুমের বলে সুইপ করতে গিয়ে বোল্ড আথানেজ
বড় লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই দুই ওপেনারকে হারিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ব্রান্ডন কিংয়ের পর সাজঘরে ফিরেছেন আথানেজ। নাসুম আহমেদেরে ঝুলিয়ে দেয়া বলে সুইপ করতে গিয়ে বোল্ড হন বাঁহাতি ব্যাটার। ৮ বলে ৭ রানে থামে তার ইনিংস। ২৮ রানে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে রয়েছে স্বাগতিকরা। হোয়াইটওয়ারশ এড়ানোর লড়াইয়ে ভালো অবস্থানে সফরকারী বাংলাদেশ।
১১.৫০
রান আউটে থামল কিং-ঝড়
ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই নাসুম আহমেদকে বোলিংয়ে আনে বাংলাদেশ। বাঁহাতি স্পিনারের ওপর চড়াও হন উইন্ডিজ ওপেনার ব্র্যান্ডন কিং। ১৪ রান তুলে নেন প্রথম ৪ বল থেকেই। তবে সেই ঝড় থামে দ্রুতই। শর্ট লেগে বল রেখে সিঙ্গেলস নিতে গিয়ে অপর ওপেনার আথানেজের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে রান আউটের ফাঁদে পড়েন। ১০ বলে করেন ১৫ রান।
১১.৩৩
তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয় ও শেষটিতে ৯ রানে দুই উইকেট, সেখান থেকে বাংলাদেশকে টেনে নেন সৌম্য সরকার ও মেহেদী হাসান। দুই ব্যাটার ফিরে যাওয়ার পর হাল ধরেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও জাকের আলি অনিক। তাদের ১৫০ রানের রেকর্ড জুটিতে হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৩২২ রানের লক্ষ্য দিয়েছে টিম টাইগার্স।
১১.১৭
মাহমুদউল্লাহ-জাকেরের রেকর্ড জুটি,
১৭১ রানে পাঁচ উইকেট হারানোর পর হাল ধরেন মাহমুদউল্লাহ ও জাকের। চার-ছক্কায় মাতিয়ে রাখেন। দুজনের ১১৭ বলে ১৫০ রানের অপ্রতিরোধ্য জুটিতে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৩২১ রান। মাহমুদউল্লাহ ও জাকেরের জুটি ষষ্ঠ উইকেটে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রানের জুটি। এর আগে মাহমুদউল্লাহ ও ইমরুল কায়েসের ১২৮ রানের জুটি ছিল সর্বোচ্চ।
১১.১৫
ওয়ানডেতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ছক্কার মালিক মাহমুদউল্লাহ
মাহমুদউল্লাহ ৬৩ বলে ৮৪ রানে অপরাজিত ইনিংস খেলেছেন। ছিল ৭টি চার ও ৪টি ছক্কার মার। চারটি ছক্কা হাঁকিয়ে তামিম ইকবালের রেকর্ড ভাঙলেন তিনি। গত ম্যাচেই ৪ ছক্কা হাঁকিয়ে তামিম ইকবালের ১০৩ ছক্কায় ভাগ বসান। আজ তাকে ছাড়িয়ে গেলেন, ১০৭টি ছক্কা এখন মাহমুদউল্লাহর। বাংলাদেশের হয়ে ওয়ানডেতে ১০০ ছক্কা আছে আর কেবল মুশফিকুর রহিমের।
১১.১৪
সংক্ষিপ্ত স্কোর
টস- ওয়েস্ট ইন্ডিজ
বাংলাদেশ- ৩২১/৫ (৫০)
মাহমুদউল্লাহ-৮৪* (৬৩), মিরাজ-৭৭ (৭৩), সৌম্য-৭৩ (৭৩), জাকের-৬২* (৫৭)
আলজারি জোসেফ-২/৪৩, রাদারফোর্ড-১/৩৭
১১.০৪
মাহমুদউল্লাহর ছক্কায় বাংলাদেশের ৩০০
৪৮.২ ওভারে ব্লেডসকে ছক্কা হাঁকিয়ে বাংলাদেশর ৩০০ রানে পৌঁছান মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।
১১.০১
জাকের আলির প্রথম ওয়ানডে ফিফটি
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডেতে ১ রানের জন্য ফিফটি থেকে বঞ্চিত হন জাকের। দ্বিতীয়টিতে নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। তৃতীয় ওয়ানডেতে আর সুযোগ হাতছাড়া করলেন না। নিজের পঞ্চম ওয়ানডে ম্যাচে প্রথম ফিফটি পূর্ণ করলেন জাকের। ৫৩ বলে ফিফটি ছোঁয়া ইনিংসে ছিল পাঁচটি চার ও একটি ছক্কার মার।
১০.৫৬
মাহমুদউল্লাহর ফিফটি
ক্যারিবীয়ান দ্বীপে দারুণ ধারাবাহিক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। টানা তিন ম্যাচেই ফিফটি তুলে নিয়েছেন টাইগার ব্যাটার। ৪৬.৪ ওভারে শেরফান রাদারফোর্ডকে চার মেরে ফিফটি পূর্ণ করেন মাহমুদউল্লাহ। ৪৮ বলে ফিফটি ছোঁয়া ইনিংসে ছিল তিনটি চার ও দুটি ছক্কার মার।
১০.৪৩
জাকেরের ছক্কায় বাংলাদেশের আড়াইশ
৪৪তম ওভারের চতুর্থ বলে রোমারিও শেইফার্ডকে বড় ছক্কা হাঁকান জাকের আলি। তাতে ২৫০ রান পেরিয়ে যায় বাংলাদেশের।
৪৪ ওভার শেষে বাংলাদেশ ২৫৩/৫
মাহমু্দউল্লাহ ৪১ এবং জাকের ৪০ রানে ব্যাট করছেন।
১০.১৭
মাহমুদউল্লাহর ছক্কায় দুইশ পেরিয়ে বাংলাদেশ
৩৮তম ওভারের শেষ বলে গুডাকেশ মোতিকে বড় ছক্কা হাঁকান মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। তাতে ২০০ রান পেরিয়ে যায় বাংলাদেশের।
৩৮ ওভার শেষে বাংলাদেশ ২০৫/৫
মাহমু্দউল্লাহ ১৭ এবং জাকের ১৭ রানে ব্যাট করছেন।
৯.৪৫
আফিফকে ফেরালেন রাদারফোর্ড
আগের ওভারে ডিরেক্ট হিটে রানআউট করে মিরাজকে ফেরান রাদারফোর্ড। বলে এসে ফেরালেন আফিফ হোসেনকে। ২৯ বলে ১৫ রানে ফিরে গেলেন বাংলাদেশ ব্যাটার। ১৭১ রানে পঞ্চম উইকেট হারাল বাংলাদেশ।
৯.৪০
রান আউট হয়ে ফিরে গেলেন মিরাজ
৩০তম ওভারের তৃতীয় বলে শেফার্ডের বল পয়েন্টে খেলেন আফিফ। ননস্ট্রাইকে থাকা মিরাজ রানের জন্য বের হন। বল রাদারফোর্ডের হাতে সরাসরি জমা পড়ায় ফিরে আসার চেষ্টা করেন। তবে দাগ স্পর্শ করার আগেই ডিরেক্ট হিটে স্টাম্প ভেঙে দেন রাদারফোর্ড। আটটি চার ও দুটি ছক্কায় ৭৩ বলে ৭৭ রান করে ফিরে যান টাইগার অধিনায়ক। ১৭১ রানে চতুর্থ উইকেট হারাল বাংলাদেশ।
৯.২১
বাংলাদেশের ১৫০
সৌম্য-মিরাজ জুটিতে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল বাংলাদেশ। ৭৩ রানে সৌম্য ফিরে গেছেন ২৪তম ওভারে। ২৫তম ওভারে ১৫০ রান পূর্ণ করেছে বাংলাদেশ। মিরাজ ৬৭ এবং আফিফ ৪ রানে ব্যাট করছেন।
৯.১৪
সৌম্যকে ফিরিয়ে ১৩৬ রানের জুটি ভাঙলেন গুডাকেশ
৯ রানে দুই উইকট হারানোর পর হাল ধরেন মিরাজ ও সৌম্য। বাংলাদেশকে এগিয়ে নিচ্ছিলেন দুজনে। ১২৭ বলে ১৩৭ রানের জুটি গড়েন। ২৩.৩ ওভারে জুটি ভাঙেন গুডাকেশ মোতি। ক্যারিবীয় বোলারের ডেলিভারিতে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়েন বাংলাদেশ ওপেনার। আম্পায়ার বোলারের আবেদনে সাড়া দেন। রিভিউও নেন সৌম্য তবে লাভ হয়নি। চারটি করে চার ও ছক্কায় ৭৩ বলে ৭৩ রানের দারুণ ইনিংস খেলে ফিরে যান।
৮.৫৯
মিরাজ ও সৌম্যর ফিফটি, এগোচ্ছে বাংলাদেশ
১৯.৪ ওভারে গুডাকেশ মোতির বলে চার আদায় করে ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ ওয়ানডে ফিফটি পূর্ণ করেছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ৫৬ বলে ফিফটি ছোঁয়া ইনিংসে ছিল ছয়টি চার ও একটি ছক্কার মার। একই ওভারের শেষ বলে ১৩তম ফিফটির দেখা পান সৌম্য। তার ৫৮ বলে ফিফটি ইনিংসে ছিল তিনটি করে চার ও ছক্কার মার।
৮.৫৫
বাংলাদেশের ১০০
৯ রানে দুই উইকেট হারানোর পর প্রতিরোধ গড়ে তুলেছেন মিরাজ ও সৌম্য। দুই ব্যাটারের দৃঢ়তায় ১৯.১ ওভারে ১০০ রান পূর্ণ করেছে বাংলাদেশ।
৮.৫২
আগের বলে ছক্কা, পরের বলেই সৌম্যর ক্যাচ মিস
দ্বিতীয়বার জীবন পেলেন সৌম্য সরকার। শূন্যরানে ব্র্যান্ডন কিং সৌম্যর ক্যাচ ছেড়ে স্লিপে। ৪৫ রানে আবারও জীবন পেলেন সৌম্য। গুডাকেশ মোতির ওভারের তৃতীয় বলে লংঅন দিয়ে ছক্কা হাঁকান। পরের বলও উড়িয়ে মারেন টাইগার ওপেনার। লংঅনে বল তালুবন্দি করতে ব্যর্থ হন অভিষিক্ত আমির জাঙ্গু।
১৮ ওভার শেষে বাংলাদেশ ৯৭/২
সৌম্য ৪৭ রানে এবং মিরাজ ৪৫ রানে ব্যাট করছেন।
৮.৩৭
১৫ ওভার শেষে বাংলাদেশ ৭২/২
সৌম্য ৩০ রানে এবং মিরাজ ৩৮ রানে ক্রিজে আছেন।
৮.৩৪
জীবন পেলেন মিরাজ
রোস্টন চেজের লেগ স্টাম্পের বাইরের বল সুইপ করে খেলতে চেয়েছিলেন মিরাজ। ব্যাটে সংযোগ করতে পারেননি। তবে গ্রাভসে বল লেগে যায় উইরেকটরক্ষকের কাছে। শেই হোপ বল গ্লাভসবন্দি করতে ব্যর্থ হন। ৩৯ তম বলে ৩৫ রানে জীবন পান মিরাজ।
৮.১৯
বাংলাদেশের ফিফটি
ইনিংসের তৃতীয় ওভারে ৯ রানে দুই ব্যাটারকে হারানোর পর হাল ধরেছেন সৌম্য ও মিরাজ। দুজনের ব্যাটে ১০.১ ওভারে ফিফটি পূর্ণ করেছে টিম টাইগার্স। সৌম্য ২০ রানে এবং মিরাজ ২৬ রানে ব্যাট করেছেন।
৮.০৩
৬ ওভার শেষে বাংলাদেশ ৩৬/২
মিরাজ ২০ বলে ২৩ রানে এবং সৌম্য ১১ বলে ৯ রানে ব্যাট করছেন।
৭.৪৩
লিটন এলেন আর গেলেন
প্রথম দুই ওয়ানডের মত তৃতীয়টিতেও ব্যর্থ লিটন দাস। ২.২ ওভারে তানজিদ ফেরার পর ক্রিজে আসেন। দুই বল মোকাবেলা করেই ফিরে গেলেন। ২.৪ ওভারে জোসেফের বলে এজ হয় লিটনের। স্লিপে থাকা কিং এবার আর ভুল করেননি। লিটন ফিরে গেলেন ডাক মেরে।
৭.৪১
শূন্য রানে ফিরে গেলেন তানজিদ
প্রথম দুই ওয়ানডেতে দারুণ শুরু করেছিলেন তানজিদ তামিম। তৃতীয়ও শেষটিতে পারলেন না নিজেকে মেলে ধরতে। ২.২ ওভারে রানের খাতা খোলার আগেই ফিরে গেছেন। আলজারি জোসেফের বাউন্সারে টপ এজ হয়। হাওয়ায় ভাসতে থাকা বল তালুবন্দি করেন শেরফান রাথারফোর্ড।
৭.৩২
শূন্যরানে জীবন পেলেন সৌম্য সরকার
ক্যারিবীদের হয়ে বলে শুরু করেছেন আলজারি জোসেফ। ইনিংসের চতুর্থ বলেই ক্যাচ তুলে দিয়েছেন সৌম্য সরকার। জোসেফের অফস্টাম্পের বাইরের বল আউট সাইড এজ হয়ে যায় প্রথম স্লিপে থাকা ব্র্যান্ডন কিংয়ের হাতে। তবে তালুবন্দি করতে ব্যর্থ হন।
৭.১১
দুই অভিষেক নিয়ে ক্যারিবীয়দের চার পরিবর্তন
ওয়েস্ট ইন্ডিজের একাদশে এসেছে চার পরিবর্তন। বিশ্রামে গেছেন এভিন লুইস, জাস্টিন গ্রিভস, জেডিন সিলস ও মার্কুনিও মাইন্ডলি। তাদের পরিবর্তে অভিষেক হতে চলেছে আমির জাঙ্গু ও জেডিয়াহ ব্লেডস। এছাড়া ফিরেছেন আলজারি জোসেফ ও অলিক আথানজে।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ একাদশ: ব্র্যান্ডন কিং, কেসি কার্টি, শেই হোপ, শেরফান রাদারফোর্ড, আমির জাঙ্গু, রোমারিও শেইফার্ড, গুডাকেশ মোতি, রোস্টন চেজ, আলজারি জোসেফ, অলিক আথানজে ও জেডিয়াহ ব্লেডস।
৭.০৯
বাংলাদেশের তিন পরিবর্তন
তিন পেসার শরিফুল ইসলাম, তানজিম হাসান সাকিব ও নাহিদ রানাকে বিশ্রাম দিয়েছে টিম টাইগার্স। তাদের পরিবর্তে ফিরেছেন দুই পেসার হাসান মাহমুদ ও তাসকিন আহমেদ। এছাড়া স্পিনে মিরাজ ও রিশাদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন নাসুম আহমেদ।
বাংলাদেশ একাদশ: তানজিদ তামিম, সৌম্য সরকার, লিটন দাস, আফিফ হোসেন, মেহেদী হাসান মিরাজ (অধিনায়ক), মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, জাকের আলি অনিক, রিশাদ হোসাইন, নাসুম আহমেদ, হাসান মাহমুদ ও তাসকিন আহমেদ
৭.০৮
টসে হেরে আগে ব্যাট করবে মেহেদী হাসান মিরাজের দল
৫.৩২
টিম টাইগার্সের লক্ষ্য হোয়াইটওয়াশ এড়ানো।








