আফগানিস্তানের বিপক্ষে প্রথমে বোলিংয়ে নেমে ঠিকঠাক শুরু করেছিল বাংলাদেশ। জেতার মতো লক্ষ্য পেয়ে ব্যাটিংয়েও ঠিকঠাক এগোচ্ছিল। বিপত্তি বাধে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর বিদায়ের পর। আর কোনো ব্যাটারই পরে ঠিকঠাক দাঁড়াতে পারেননি, শেষ ৮ উইকেট পড়ে যায় মাত্র ২৩ রানে। জোটে ৯২ রানের হার।
ওপেনার সৌম্য সরকারের সঙ্গে ৫৩ রানের জুটি গড়ার পর মেহেদী হাসান মিরাজের সঙ্গে ৫৫ রানের আরেকটি জুটি গড়েন শান্ত। এরপর অধিনায়কের বিদায়ে আর কোনো ব্যাটার ক্রিজে দাঁড়াতে পারেননি। আফগানদের অফস্পিনার আল্লাহমোহাম্মদ গজনফার ধসিয়ে দেন বাংলাদেশের ইনিংস। ম্যাচশেষে শান্ত বলেছেন, তার উইকেটই ম্যাচের ভাগ্য বদলে দিয়েছে।
নিজেদের অত্যন্ত বাজে মানের ব্যাটিং প্রদর্শনী নিয়ে শান্ত বলছেন, ‘বোলিংয়ে আমরা ভালো শুরু করেছিলাম। উইকেটে কিছুটা লো বাউন্স ছিল। খেলায় আমার উইকেটই সবকিছু বদলে দিয়েছে। সেট ব্যাটার ছিলাম এবং মিরাজ এমনকি সৌম্যও ৩০-৪০ রানের দেখা পেয়েছিল।’
‘এই কন্ডিশনে দীর্ঘসময় ব্যাট করতে হবে। আফগানিস্তানে সবসময় রহস্যময়ী স্পিনার থাকে, তারা ভালো বল করে এবং গজনফার সত্যিই ভালো বল করেছে। আমাদের প্রস্তুতি ভালো ছিল, কিন্তু দিনটি আমাদের ছিল না। আশা করছি শক্তভাবে পরবর্তী ম্যাচে আমরা ফিরে আসব।’
১২০ রানের সময় তৃতীয় উইকেট হারায় বাংলাদেশ। আফগান বোলিং তোপে সেখান থেকে ধস নামে, আর ২৩ রান যোগ করতেই গুটিয়ে যায় টাইগারদের ইনিংস। ৯২ রানের হার দিয়ে সিরিজ শুরু করেছে শান্তর দল। একই মাঠে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেটি হবে ৯ নভেম্বর।








